রাজধানীতে ঈদের আগেই উত্তপ্ত মশলার বাজার

এই লেখাটি 39 বার পঠিত

রাজধানীতে ঈদের আগেই উত্তপ্ত মশলার বাজার
কোরবানির ঈদ মানেই বাহারি রকম মশলায় হরেক রকম খাবারের পসরা। তাই স্বাভাবিকভাবেই বছরের অন্যান্য সময়ের তুলনায় রান্নায় মশলার আধিক্য থাকে বেশি। আর এই সুযোগ কাজে লাগিয়েই রাজধানীতে ঈদের আগেই উত্তপ্ত মশলার বাজার।
রাজধানীর কারওয়ান বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি এলাচ পাইকারীতে বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৬শ থেকে ২ হাজার টাকায়, জিরা প্রতি কেজি ৩৪০ থেকে ৪শ ১০ টাকায়, লবঙ্গ ১ হাজার ৫০ টাকায়, আর দারুচিনি বিক্রি হচ্ছে ২শ ৯০ টাকায়।
এদিকে পেঁয়াজ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৫২ টাকা কেজি দরে যা আগের সপ্তাহের চেয়ে কিছুটা বেশি। এলাচ আর জিরার দাম কিছুটা বাড়লেও অন্যান্য মসলার দাম তেমন বাড়েনি বলে জানান বিক্রেতারা।
বাজার ঘুরে দেখা যায়, আমদানি করা রসুনের চাহিদাই বেশি। বর্তমানে এ ধরনের রসুন ১৭০ থেকে ১৯০ টাকা আর দেশি রসুন ১০০ টাকা থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এক মাসের ব্যবধানে কেজিতে প্রায় ৪০ টাকা বেড়েছে রসুনের দাম। এছাড়া গুঁড়ো মসলার মধ্যে হলুদ প্রতি কেজি ২০০-২২০, মরিচ ১৫০-২০০, ধনে ১৮০-২২০ টাকা এবং তেজপাতা ১৭০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাংলাদেশ গরম মসলা ব্যবসায়ী সমিতির নেতা হাজি এনায়েতুল্লাহ বলেন, ‘ঈদ সামনে রেখে ব্যবসায়ীদের প্রস্তুতি আরো আগেই শুরু হয়ে গেছে। কারণ, মসলার বাজার অনেকটাই আমদানি নির্ভর। সেক্ষেত্রে এলসি সংক্রান্ত প্রক্রিয়া আগে থেকেই শুরু করতে হয়।’
তিনি বলেন, ‘কোরবানির ঈদে মসলার চাহিদা বাড়ার কারণে আমদানি ও সরবরাহ বাড়াতে হয়। এ কারণে অনেক সময় বাড়তি দামেও এসব পণ্য আমদানি করতে হয়। এবারো চাহিদার দিকে লক্ষ রেখে আমদানি হচ্ছে। ঘাটতির কোনো আশঙ্কা নেই।’
কারওয়ান বাজারের বিক্রেতা লিটন বলেন, বন্যার কারণে বাজারে মশলার ঘাটতি রয়েছে। মূলত ঈদ নয়, দেশে চলমান বন্যা, অতিবৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার কারণে মশলার দাম বেড়েছে।
তবে মসলার দাম নিয়ে ক্রেতাদের মধ্যে রয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। কেউ কেউ অভিযোগ করলেও অনেকে বলছেন দাম অনেকটা সহনীয়। ঈদের আরো বেশ কিছুদিন বাকি। সামনের দিনগুলোতে যথাযথ নজরদারি থাকলে বাজার স্বাভাবিক থাকবে বলে আশা ক্রেতা-বিক্রেতার।

Aviation News