ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সে চড়ে হাতপাখার বাতাস!

এই লেখাটি 221 বার পঠিত

ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের বিরুদ্ধে গ্রাহকের অভিযোগ কমছেই না। একের পর এক অভিযোগ উঠছে এই এয়ারলাইন্সের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি এয়ারলাইন্সটির একটি ফ্ল্যাইটে এসি বন্ধ রাখার অভিযোগ উঠেছে।

সাদাত চৌধুরী নামে এক ‘যাত্রী’ এ অভিযোগ তুলেছেন। ওই ব্যক্তি জানিয়েছেন, ইউএস বাংলার ঢাকা-কলকাতা-ঢাকার একটি ফ্ল্যাইটে এসি বন্ধ ছিল।

সাদাত তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, তারা (ইউএস বাংলা) দুইপাশের এসি বন্ধ রেখেছে। এতে শুধু গরমই নয়, সেই সঙ্গে আবদ্ধতাভীতি তৈরি হয়েছে। যা অসুস্থ ব্যক্তিদের জন্য ভয়ঙ্কর ক্ষতির কারণ হতে পারে।

সাদাত ফেসবুকে একটি ভিডিও আপলোড করেছেন। ২০ জুলাই, শুক্রবার বিকেলে আপলোড করা ওই ভিডিওতে দেখা যায়, উড়োজাহাজটিতে বসা যাত্রীরা তাদের হাতে থাকা কাগজ দিয়ে নিজেকে বাতাস করছেন। ভিডিওতে দুইজন বয়স্ক ব্যক্তিকেও দেখা যায়।

 

ইউএস-বাংলার জনসংযোগ কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম বলেন, ‘এইটা পরশু দিনের (ঘটনা)। ওইদিন ঢাকা শহরে সর্বোচ্চ টেমপারেচার (তাপমাত্রা)। একজন প্যাসেঞ্জার (যাত্রী) প্লেনে ওঠার আগে ইঞ্জিনটা তো ঠান্ডা হতে হবে। প্যাসেঞ্জাররা যে প্লেনে ওঠার পর সিটে গিয়ে বসছে, বসার পরে কী এয়ারক্রাফটটা (উড়োজাহাজ) ঠান্ডা হওয়ার সময় দেবে না?’

ইঞ্জিন ঠান্ডা হওয়ার পর যাত্রী ওঠানো হলো না কেন, এমন প্রশ্নের উত্তরে কামরুল ইসলাম বলেন, ‘এটি পলিসি। আমার প্যাসেঞ্জার উঠবে, ইঞ্জিনটি স্টার্ট এবং এর মাঝে প্লেন ঠান্ডা হতে থাকবে। প্লেন ঠান্ডা হওয়ার পর প্যাসেঞ্জার উঠবে, এতে তো আধা ঘণ্টা সময় চলে যাবে।’

পরবর্তী ফ্ল্যাইট উড্ডয়নের আগে এসি সাধারণত ৮ থেকে ১০ মিনিটের জন্য বন্ধ থাকে বলেও জানান কামরুল ইসলাম।

এর আগে ১৯ জুলাই বেসরকারি এই বিমান সংস্থার একটি উড়োজাহাজের চাকায় সমস্যা দেখা দেয়। ফলে এটি জরুরি অবতরণ করে।

উড়োজাহাজটিতে থাকা একাধিক যাত্রী জানিয়েছেন, ইউএস বাংলার ওই ফ্ল্যাইটটি রানওয়েতে নামার সময় এর চাকা পাংচার হয়ে যায়। এসময় উড়োজাহাজের যাত্রীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। তবে উড়োজাহাজটি নিরাপদে অবতরণ করে।

Aviation News