পর্যটন প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে নেপালের পর্যটন সচিবের সাক্ষাৎ

এই লেখাটি 105 বার পঠিত
rbt

পর্যটন প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে নেপালের পর্যটন সচিবের সাক্ষাৎ।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোঃ মাহবুব আলী এমপির সঙ্গে আজ (০৮.০১.২০১৯) সচিবালয়ে তার দপ্তর কক্ষে নেপালের পর্যটন সচিব কেদার বাহাদুর অধিকারী সাক্ষাৎ করেছেন।
এ সময় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোঃ মহিবুল হক ও বাংলাদেশের নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ডঃ বংশীধর মিশ্র উপস্থিত ছিলেন।

সাক্ষাৎকালে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোঃ মাহবুব আলী এমপি নেপাল ও বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে বলেন,
বাংলাদেশ ও নেপাল দুটি দেশেই পর্যটনের বৈচিত্র্যময় পণ্য রয়েছে। বাংলাদেশের রয়েছে পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার এবং বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সুন্দরবন। নেপাল,ভুটান ও ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় ল্যান্ড লক রাজ্যগুলোর নিকটবর্তী সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার। কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকত ও সুন্দরবন তাদের জন্যে অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন গন্তব্যে পরিণত হতে পারে। পর্যটন বাংলাদেশ ও নেপালের বন্ধুত্বকে আরো দৃঢ় করবে।

তিনি বলেন,মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে কক্সবাজার ও সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করে আঞ্চলিক হাবে পরিণত করার কাজ চলমান রয়েছে। বিমানবন্দর দুটির সংস্কার কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর তা দক্ষিণ এশিয়ায় যোগাযোগের নতুন মাত্রা উন্মোচন করবে।

নেপালের পর্যটন সচিব কেদার বাহাদুর অধিকারী বৈঠকে বলেন, বাংলাদেশ নেপাল অত্যন্ত ভালো বন্ধু। নেপাল বাংলাদেশের এই বন্ধুত্বকে অত্যন্ত গুরুত্ব প্রদান করে। বাংলাদেশ ও নেপালের সাংস্কৃতিক নৈকট্য ও পর্যটন দুই দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোঃ মহিবুল হক এ সময় বলেন, বাংলাদেশ পর্যটনের অপার সম্ভাবনার দেশ। বাংলাদেশ ও নেপাল এই দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক সেতুবন্ধন হিসেবে পর্যটন কাজ করতে পারে। পর্যটনের উন্নয়নে পারস্পরিক সহযোগিতা ও বিনিময় দু’দেশের সম্পর্কে নতুন মাত্রা তৈরি করার সুযোগ সৃষ্টি করবে।

Aviation News