সোনা চোরাচালান মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের নারাজি!

এই লেখাটি 40 বার পঠিত

জানুয়ারি ২০১৫ দুবাই থেকে চট্টগ্রাম হয়ে টাকা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের অবতরণ করে বিমান বাংলাদেশ ইয়ারলেন্সয়ের একটি ফ্লাইট। সেটির টয়লেটে কমোড চেম্বারের নিচে কার্গোহোল সংশ্লিষ্ট পেনেল থেকে ১৪ কেজি সোনা উদ্ধার করে শুল্ক গয়েন্দারা। যার বাজার মূল্য প্রায় ৭ কোটি টাকা। পরে শুল্ক গোয়েন্দার তদন্তের প্রতিবেদনে বলা হয় যে জায়গায় সোনা ছিল সেখানে বিমানের মেকানিক বিভাগের বাইরের কারো যাওয়া সম্ভব নয়। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে গ্রেফতার করা হয় এই বিভাগের দুই কর্মচারীকে। জব্দ করা হয় বিমানটিও।

কিন্তু পুলিশের দুই কর্মকর্তা পাল্টানোর সাথে পাল্টে যায় দৃশ্যপটও। মামলার চার শীটের আগেই দেয়া হয় চূড়ান্ত প্রতিবেদন। যাতে পর্যাপ্ত তথ্য সাক্ষ্য প্রমাণ না পাওয়ার অঝুহাতে সুপারিশ করা হয় আসামিদের অব্যাহতির। সমাপ্ত ঘোষণা করা হয় তদন্ত। তবে এর বিরুদ্ধে নারাজি যে আবেদনের কথা জানিয়েছে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী।

ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত পিপি আব্দুল্লাহ আবু বলেন, জেন্টেকভাবে তদন্ত করে যদি রিপোর্ট দিয়ে দেয় তাহলে হবে না, এটা অন্যায় হবে। তাহলে প্রকৃত আসামি যারা তাদের ধরতে হবে, তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দাবি তদন্তে আইন শৃঙ্খলাবাহিনী কোনো গাফিলতি করে না। সংশ্লিষ্টতা না পাওয়ায় নির্দোষ বলা হয়েছে আসামিদের।

স্বরাষ্টমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, নারাজি দিলে আরো অধিকতরো তদন্ত হয়। সিআইডি কিংবা আধুনিক তদন্ত করার জন্য আমরা পিবিআই ফ্রম করেছি, সেই পিবিআইতে চলে আসে। গডফাদার যে ব্যক্তি হোক আমরা কাউকে ছাড়বো না।

মামলার নথি পর্যালোচনা করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষক বলেন, চাইলে আলামত ও আসামিদের মাধ্যমে সোনা চোরাকার বাড়ি গডফাদারদের ধরতে পারতো পুলিশ। কিন্তু করেছে তার উল্টোটা।

সোনা চোরাচালানের ঘটনায় যেখানে কোটি টাকা লেনদেন জড়িত সেখানে এখনো কোনো মূলহোতার গ্রেফতার বা দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হওয়া দুঃখজনক।

Aviation News