সব সময়ই স্মার্টফোন নয়

এই লেখাটি 18 বার পঠিত

ঘুম থেকে উঠে

যদি না জেনে থাকেন তো এখনই জেনে নিন। আসলে ঘুম থেকে উঠেই মানুষ জরুরি কিছু দেখার জন্য স্মার্টফোন খোঁজে।

অফিসের কোনো ই-মেইল দেখা। অথবা জরুরি ফোন দিতে হবে ইত্যাদি। অথচ এই কাজের মাধ্যমে সকাল সকাল নিজের বারোটা বাজিয়ে দিচ্ছেন আপনি। এক ব্রিটিশ গবেষণায় বলা হয়, স্মার্টফোন সকাল থেকেই আপনাকে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় বিপর্যস্ত করে দিতে পারে। টেক জায়ান্ট গুগলের সাবেক ডিজাইন এথিসিস্ট ট্রিস্টান হ্যারিসের মতে, ঘুম ভাঙার পর মোবাইলে ব্যস্ত হয়েছেন তো আপনার সারা দিনের প্রাণবন্ত পরিকল্পনাটাই নষ্ট হতে পারে।

বিশেষ কাজ শুরুর আগে

মোবাইল ফোনে যা-ই করেন না কেন, এটা ক্রমেই ব্যবহারকারীকে স্ট্রেসের দিকে ঠেলে দেয়। আবেগকে প্রভাবিত করে। তাই কোনো মিটিং বা কাজ শুরুর আগে অযথাই স্মার্টফোন এড়িয়ে চলা উচিত। যেকোনো কর্মীর উৎপাদনশীলতা কমিয়ে দিতে পারে কাজের আগে স্মার্টফোনে সময় কাটানোর অভ্যাস।

পড়ার সময়

অবসরের সেরা বন্ধু বই। এমনিতেও বই পড়ার আনন্দ আর আবেদনটাই ভিন্ন। জ্ঞানার্জন ছাড়াও মস্তিষ্কের কার্যক্রম সঠিকভাবে জিইয়ে রাখতে বই পড়ার বিকল্প নেই। ধরুন, পাঠ্য বইটাই পড়ছেন। হঠাৎ করে ফোনে চোখ দিলেন। এতেই আপনার ক্ষতি হয়ে যাবে। গল্পের বই পড়লেও একই কাহিনি ঘটবে। মানসিকভাবেই বিষয়টি উপকারী নয়। বিশেষজ্ঞরা বলেন, বই পড়ার সময় স্মার্টফোনটাকে দূরে রাখতে হবে।

ঘুমের আগে

প্রযুক্তিযন্ত্রের স্ক্রিনে থাকে ব্লুলাইট। এটি মস্তিষ্ককে উত্তেজিত করে। বলা হয়, আধুনিক জীবনে ঘুমের সবচেয়ে বড় শত্রু ফোনের স্ক্রিন। বিশেষ করে যাদের ঘুম আসতে চায় না, তাদের জন্য তো আরো বড় হুমকি। ঘুমের আগ দিয়ে তাই স্মার্টফোন ব্যবহার করলে তা ঘুম আনার হরমোন মেলাটনিনকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। ফলে ঘুমবিহীন রাত কাটতে পারে। বিছানায় ওঠার আধাঘণ্টা আগে থেকে তাই ফোন ধরা যাবে না।

Aviation News