বেদনানাশে যা খেতে পারেন আপনি

এই লেখাটি 21 বার পঠিত

কফি

জনপ্রিয় এই পানীয় অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের জন্য সুপরিচিত। গবেষণায় দেখা গেছে, ক্যাফেইন পেশির বেদনানাশে খুবই কার্যকর।

কাজেই জগিং বা শরীরচর্চা কেন্দ্রে যাওয়ার পর যারা ব্যথায় কাতর, তারা এক কাপ কফিতে ভরসা রাখতে পারে।
সামুদ্রিক মাছ

সাগরের মাছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড থাকে। আরথ্রাইটিসের ব্যথায় এ উপাদান জাদুর মতো কাজ করে। যেসব খাবারে ওমেগা-৩ পাবেন, সেগুলো খেতে পারেন শরীরের ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে।

মধু

এমনিতেই অনেক রোগের মহৌষধ নামে পরিচিত। আঘাত বা ক্ষত থেকে উদ্ভূত ব্যথা নিরাময়ে মধু ভালো উপাদান। গবেষণায় দেখা গেছে, মুখের কোনো ব্যথায় মধু ব্যবহার করলে তা অন্যান্য যেকোনো উপায়ের চেয়ে দ্রুত সেরে যায়।

রসুন

এটি বেদনানাশক। এর জারমেনিয়াম, সেলেনিয়াম ও সালফারের মতো উপাদান ক্ষতে ব্যথা সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতে সক্ষম।

সূর্যমুখী ও মিষ্টি কুমড়ার বিচি

এই দুই ধরনের বিচিতে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম আছে। পেশিতে ব্যথা, মাইগ্রেন এবং ফাইব্রোমায়ালজিয়াতে উপকার মিলবে এসব বিচিতে। সালাদ বা যেকোনো খাবারে এগুলো ব্যবহার করা যায়।

আদা

এমনিতেই বহু গুণে গুণান্বিত। ঠাণ্ডা-সর্দি-কাশি উপশমে সহায়ক। যেকোনো ব্যথা ভালো করতে আদার তুলনা নেই। আবার নারীদের পিরিয়ডসংক্রান্ত ব্যথা কমাতেও এই খাবারে আস্থা রাখা যায়।

চকোলেট

যারা কোনো কারণে পেইনকিলার গ্রহণ করে, তারা আরো অন্যান্য রোগের ঝুঁকিতে থাকে। তাই বেদনানাশক ওষুধ খাওয়ার আগে কিছু পরিমাণ চকোলেট খেয়ে চেষ্টা চালান। চকোলেট দেহে অধিক পরিমাণে অ্যাম্ফেটামাইন ও ফেনাইলথাইলামাইন উপাদানের ক্ষরণ ঘটায়। এগুলো দেহকে আরাম দেয়।

কমলা

এই ফলটি ভিটামিন সি দিয়ে পরিপূর্ণ। এ কথা সবাই জানে। কিন্তু এটা হয়তো জানে না যে এতে আছে বেটা-ক্রিপ্টোজানথিন। এই অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রিউমাটয়েড আরথ্রাইটিস থেকে উদ্ভূত ব্যথা কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখে।

হলুদ

এটাও বেদনানাশের ওষুধ। এমনিতেই আমাদের রান্নাঘরের জনপ্রিয় মসলা হিসেবে সুপরিচিত। এটি আরথ্রাইটিস, হার্ট বার্ন, সংযোগস্থলের ব্যথা, পাকস্থলীর যন্ত্রণা, ক্রোন্স ডিজিস, মাথাব্যথা, ব্রংকাইটিস, ফুসফুসে সংক্রমণ, ফ্রাইব্রমায়ালজিয়া, জ্বর ইত্যাদির বেদনা নিরাময়ে সক্ষম।

Aviation News