প্রকৌশল বিভাগের অবহেলার দরুণ বার বার যান্ত্রিক ত্রুটির কবলে পড়ছে বিমানের শত শত মিলিয়ন ডলারের নিউ ব্র্যান্ড বোয়িং৭৭৭ উড়োজাহাজ

এই লেখাটি 68 বার পঠিত

স্টাফ রিপোর্টার। প্রকৌশল বিভাগের অবহেলার দরুণ বার বার যান্ত্রিক ত্রুটির কবলে পড়ছে বিমানের শত শত মিলিয়ন ডলারের নিউ ব্র্যান্ড বোয়িং৭৭৭ উড়োজাহাজ। রববারও যান্ত্রিক ত্রটির দরুণ ২০ ঘন্টার বিলম্বের শিকার হয় জেদ্দা ফ্লাইট। শনিবার সন্ধ্যা ৭টার ফ্লাইট জেদ্দার উদ্দশ্যে ঢাকা ছেড়ে যায় রববার বিকাল সাড়ে পাঁচটায়। এতে শত শত যাত্রী চরম ভোগান্তির শিকার হন।

একজন যাত্রী মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়েন। বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্যাপ্টেন মোসাদ্দিক আহমেদ বলেছেন, আসলে একজন যাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়ার কারণেই এই জটিলতা। তাকে অফলোড করার পর এয়ারক্রাফটের ইঞ্জিন বন্ধ করতে হয়। পরে সেটা চালু করতে গিয়ে বিপত্তি ঘটে। ইঞ্জিন আর চালু করা সম্ভব হচিছলনা। রোববার বিকেলে ইউএস বাংলা থেকে ধার করে একটি পাওয়ার ইউনিট এনে ইঞ্জিন চালু করার পর সেটা জেদ্দার উদ্দেশ্যে ঢাকা ছেড়ে যায়।

ওই ফ্লাইটের একজন যাত্রী শনিবার রাতে এ প্রতিনিধিকে ফোন করে জানায়, রাত ৮টার সময় বিমানের নিজস্ব উড়োজাহাজ ৭৭৭-৩০০ ইআর ফ্লাইটে যাত্রীরা আসন গ্রহনের সময় দেখতে পান ভেতরে প্রচন্ড গরম। তারা এ বিষয়ে জানতে চাইলে কেবিন ক্রুরা জানান-অক্সিলিয়ারি পাউয়ার ইউনিট(এপিইউ) নষ্ট। এতে প্রচন্ড গরমে একজন যাত্রী মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়ে।

তখন তাকে অফলোড ও লাগেজও বের করতে বেশ খানিকটা সময় লাগায় এয়ারক্রাফটের ইঞ্জিন বন্ধ করা হয়। এ সময় যাত্রীরা উত্তেজিত ও মারমুখী হয়ে ওঠেন। পরে যখন ইঞ্জিন চালুর চেষ্টা করা হয়- তখন বিমানের কোন পাওয়ার ইউনিট্ই কাজ করেনি। সব কটা পাওয়ার ইউনিট বিকল থাকায় রাতে কিছুতেই ওই এয়ারক্রাফট স্টার্ট করা যায়নি। এতে যাত্রীদেরকে নামিয়ে আনা হয়।

সারা রাত তাদেরকে লাউঞেজ বসিয়ে রাখা হয়। এ সময় তার্ এয়ারপোর্টে বিশৃংখল পরিস্থিতির সৃষ্টি করেন। সকালে বিমানের এমডি মোসাদ্দিক এয়ারপোটে গেলে যাত্রীরা তার প্রতি মারমুখী হয়ে ওঠে। এতে তিনি সেখান থেকে চলে আসেন। রববার বিকেলে ইউএস বাংলা থেকে পাওয়ার ইউনিট ধার এনে ওই উড়োজাহাজ স্টার্ট দেয়া হয়। বিকেল সাড়ে ৫টায় সেটা ঢাকা ছেড়ে যায়।

এদিকে পাইলটের স্বেচছারিতার দরুণ গতরাতের মাস্কট ফ্লাইট ঢাকা ছাড়তে পাারেনি। ফ্লাই গ্লোবাল নামের কোম্পানির কাছ থেকে লিজে নেয়া উড়োজাহাজ ৭৭৭ গত রাত ৮টায় মাস্কটের সিডিউলে রাখা ছিল। পরে ঘোষণা করা হয় পাইলট নেই। সেজন্য সমববার সকালে যাবে। বিমান এই সিদ্বান্ত সব যাত্রীকে না জানানোর দরুণ অনেকেই রববার রাতে হজরত শাহজালাল বিমানবন্দরে গিয়ে হাজির হন। তখন তাদেরকে জানানো হয় ফ্লাইট সিডিউল পরিবর্তন করা হয়েছে। এতে যাত্রীরা বিমানকে গালিগালাজ করতে শুরু করে।

Aviation News