প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের বাস্তবায়ন চায় তৃণমূল

এই লেখাটি 45 বার পঠিত

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের বাস্তবায়ন চায় তৃণমূল।
দলে অনুপ্রবেশকারীদের বা হাইব্রিড নেতাকর্মীদের বের করতে একাট্টা দলটির তৃণমূল নেতারা। এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশের দ্রুত বাস্তবায়ন চান তারা।
শুধু তাই নয়, এসব নেতাকর্মীকে দিয়ে বলয় সৃষ্টিকারী প্রভাবশালী নেতা ও এমপিদের কঠোর শাস্তি দেয়ার পক্ষেও সোচ্চার তারা। এ ছাড়া আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সরকারদলীয় জোট শরিকদের কোনো কোনো আসনে নৌকার প্রার্থী দেয়ারও দাবি তৃণমূল আওয়ামী লীগের।
আজ শনিবার অনুষ্ঠেয় আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভার শেষ পর্বে এসব দাবি তুলে ধরবেন বলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের তৃণমূল নেতারা যুগান্তরের কাছে জানিয়েছেন।
এ সভায় ঢাকা, ময়মনসিংহ, রংপুর ও খুলনা বিভাগের জেলা পরিষদ কাউন্সিলর, ওয়ার্ড, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও মেম্বাররা উপস্থিত থাকবেন।
প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে বেলা সাড়ে ১১টায় এ সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। তৃণমূল নেতাকর্মীদের কথা শুনবেন এবং আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রয়োজনীয় দিকর্দেশনা দেবেন তিনি।
প্রথম দফায় গত ৩০ জুন চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী ও বরিশাল বিভাগের জেলা পরিষদ কাউন্সিলর, ওয়ার্ড, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, আওয়ামী লীগ সমর্থিত ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের নিয়ে বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে গত ২৩ জুন জেলা, থানা, মহানগর ও পৌরসভার নেতাদের সঙ্গে ঢাকায় আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা করেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
ওই দুই সভায় দলে অনুপ্রবেশকারী বা হাইব্রিডদের এখনই বিতাড়িত করার নির্দেশ দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ২৩ জুন দলের বিশেষ বর্ধিত সভায় এ বিষয়ে তিনি বলেন, অনুপ্রবেশকারীরা দুঃসময়ে পাশে থাকবে না।
অনেকেই আসবে দলে কোন্দল করে তারাই খুন করবে। বদনাম হবে- দলের লোকেরাই খুনাখুনি করেছে। এমন দুরভিসন্ধি নিয়েও কিন্তু অনেকে আসে। সে কিন্তু আপন হবে না। কাজেই এসব বিষয়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের যথেষ্ট সজাগ থাকতে হবে।
দলে অনুপ্রবেশকারীদের তালিকা আমার কাছে আছে জানিয়ে তিনি বলেন, কাদের বিরুদ্ধে মামলা আছে, তাদের কে কে আমার দলে এসেছে, সেই তালিকা কিন্তু আমার কাছে আছে। কাজেই আমি বলব, কেউ যদি তাদের প্রশ্রয় দিয়ে থাকেন, এখনই তাদের বিদায় করেন।
আজকের বিশেষ বর্ধিত সভা সফল করতে এরই মধ্যে ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতারা ঢাকায় আসতে শুরু করেছেন। বৃহস্পতিবার উত্তরাঞ্চলের অধিকাংশ নেতা ঢাকা পৌঁছেছেন। তাদের দাবি- এ অঞ্চলের অধিকাংশ আসন জোট শরিকদের ছেড়ে দেয়া হয়েছে। কিন্তু আমরা সুযোগ পেলে নেত্রীর কাছে এসব আসনে নৌকার প্রার্থীর বিষয়ে জোরালো দাবি জানাব। প্রয়োজনে জোট-মহাজোটরে এসব আসন দেশের বিভিন্ন স্থান থেকেও দেয়ার কথা বলব।
জোটের বিষয়ে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী জাফর উল্লাহ যুগান্তরকে বলেন, আমাদের প্রস্তুতি ৩০০ আসনেই। নির্বাচনের আগেই এসব আসনে দলীয় মনোনয়ন নিশ্চিত করা হবে। তবে জোট হলে জোটের আসনে দলীয় প্রার্থী প্রত্যাহার হবে এটাই স্বাভাবিক।

Aviation News