আস্থা হারাননি বাংলাদেশের কোচ

এই লেখাটি 90 বার পঠিত
IMG_20190817_160605

আস্থা হারাননি বাংলাদেশের কোচ ।

রাজকোটে দ্বিতীয় টি ২০ ম্যাচে বাংলাদেশ শুরুটা করেছিল দারুণ। কিন্তু কোনো ব্যাটসম্যান ইনিংস লম্বা করতে না পারায় দলীয় স্কোরও প্রত্যাশানুযায়ী হয়নি। তিন ব্যাটসম্যান ৩০ ছুঁয়েছিলেন, একজন করেন ২৯ রান। এরপর বোলাররাও ব্যর্থ হন। তারপরও শিষ্যদের ওপর আস্থা রাখছেন কোচ রাসেল ডমিঙ্গো। একাদশে হুটহাট পরিবর্তন আনতে রাজি নন এই দক্ষিণ আফ্রিকান কোচ।

আজ নাগপুরে সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ও শেষ টি ২০’র আগে শনিবার সংবাদ সম্মেলনে ডমিঙ্গো বলেন, ‘ভারতের (ব্যাটিং অর্ডারের) ওপরের দিকের ছয়জনের মধ্যে বাঁ-হাতি ব্যাটসম্যানের সংখ্যা বেশি। এক ম্যাচ আগেই তাদের বিপক্ষে আমাদের অফ-স্পিনাররা (আফিফ হোসেন, মোসাদ্দেক হোসেন) ভালো বল করেছে। কিন্তু আগের ম্যাচে তা কাজে লাগেনি দেখে সবকিছু বদলে ফেলার কোনো মানে হয় না। আমরা এমন কোনো দল হতে চাই না যারা হারার পর অসচেতনভাবে তড়িঘড়ি প্রতিক্রিয়া দেখায়।’

গত কয়েক বছর ধরে মোস্তাফিজুর রহমান দেশের সেরা পেসার। কিন্তু সিরিজের প্রথম দুটি টি ২০ ম্যাচে কিছুই করতে পারেননি তিনি। অনেক রান দিয়েছেন এই বাঁ-হাতি পেসার। দ্বিতীয় ম্যাচে শফিউলও খরুচে বোলিং করেছেন। দলের সেরা বোলারদের খারাপ করতে দেখেও চিন্তিত নন কোচ। তিনি বলেন, ‘প্রথম ম্যাচে আমরা ভালো বল করেছি। দ্বিতীয় ম্যাচে ভালো উইকেটে (ব্যাটিংবান্ধব) ভালো ব্যাটসম্যানের বিপক্ষে ভেজা বলে (শিশিরের কারণে) বোলিং করতে হয়েছে। টি ২০ ক্রিকেটে এমনটা হতেই পারে। তাই পেস বোলিং নিয়ে কোনো দুশ্চিন্তা নেই।’

তিনি বলেন, ‘কেউ একজন খারাপ খেলেছে বলে সে ছয় মাস দলের বাইরে থাকবে এটা হতে পারে না। আমরা বিশ্বাস করি যে যারা প্রথম দুই ম্যাচ খেলেছে তারা যথেষ্ট ভালো। কেউ একজন আমাদের বিপক্ষে খুবই ভালো খেলেছে বলে কৌশলগত অনেক পরিবর্তন করতে হবে, বিষয়টা এমন না।’

এদিকে ব্যাটসম্যানরা বড় স্কোর করতে না পারায় একটু চিন্তিত ডমিঙ্গো। তিনি বলেন, ‘আমরা কাল (পরশু) রাতে এটা নিয়ে কথা বলেছি। প্রথম ম্যাচে মুশফিক বড় রান করায় আমরা জিতেছি। পরের ম্যাচে রোহিত বড় রান করায় ভারত জিতেছে। আমাদের তিনজন ৩০ রানের ইনিংস খেলেছে। কিন্তু কেউ একজন যেন ৭০-৮০ রান করতে পারে, এটা নিশ্চিত করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘সৌম্য-লিটনদের যে টেকনিক্যালি কোনো সমস্যা আছে সেটা আমার মনে হয় না। তবে ইনিংসের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তারা ভুল সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে তাদের উন্নতি করতে হবে।’

Aviation News