গ্রাহক সন্তুষ্টি ও মৌলিক চাহিদা পূরণে ইউএস-বাংলা গ্রুপ কাজ করছে

এই লেখাটি 57 বার পঠিত

ঢাকা, জুন ২১, ২০১৮: বাংলাদেশের অন্যতম ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ইউএস-বাংলা গ্রæপ। ইতিমধ্যে ইউএস-বাংলা বাংলাদেশে বহুমাত্রিক ব্যবসায়িক গ্রæপ হিসেবে আতœপ্রকাশ করেছে। ইউএস-বাংলা’র মিশন কিংবা ভিশন বলতে অধিক জনসংখ্যার দেশ বাংলাদেশের জনগনের মৌলিক চাহিদা পূরনের লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছে। ইউএস-বাংলা গ্রæপের অন্যতম প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে- ইউএস-বাংলা এসেটস্, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স, ইউএস-বাংলা মেডিকেল কলেজ এন্ড হসপিটাল, গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, ইউএসবি এক্সপ্রেস, ইউএস-বাংলা লেদার ইন্ডাস্ট্রিজ, ইউএস-বাংলা ফুটওয়্যার, ইউএস-বাংলা হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ, ইউএস-বাংলা অটোমোবাইলস্, ইউএস-বাংলা ফুডস্, ইউএস-বাংলা ফ্যাশনস্সহ আরো নানাবিধ প্রতিষ্ঠান।

ইউএস-বাংলা গ্রæপের যাত্রা শুরু হয়েছে নয় বছর পূর্বে। কিন্তু সময়ের হিসেবে ব্যবসার পরিধি বেড়ে চলেছে জ্যামিতিক হারে, যা বাংলাদেশে অনেকটাই বিরল। পৃথিবীর ঘন বসতিপূর্ণ দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম বাংলাদেশ। জনসংখ্যার আধিক্যের কারনে দিন দিন আবাসন সংকট প্রকট আকার ধারন করছে বাংলাদেশে। আবাসন সংকট নিরসনে ইউএস-বাংলা গ্রæপ ঢাকার অতি সন্নিকটে নতুন ঢাকা খ্যাত পূর্বাচলে, যা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মাত্র ২০ মিনিট দূরত্বে গড়ে তুলেছে পূর্বাচল আমেরিকান সিটি। এখানে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, হাসপাতাল, খোলা মাঠসহ সবুজে ঘেরা একটি আধুনিক শহরের রূপ নিবে, যা একটি আধুনিক শহরের দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। পূর্বাচল আমেরিকান সিটি প্রকল্পে থাকছে গ্রীণ ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, ইউএস-বাংলা মেডিকেল কলেজ এন্ড হসপিটাল, ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, স্পোর্টস কমপ্লেক্স, অ্যামিউজমেন্ট পার্ক, ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টার, মডার্ন শপিং কমপ্লেক্স এবং স্বনামধন্য আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স এর হেড কোয়ার্টারসহ নানাবিধ প্রতিষ্ঠান। সবুজে ঘেরা আধুনিক শহর পূর্বাচল আমেরিকান সিটি নির্মানে ইউএস-বাংলা গ্রæপ প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স, ইউএস-বাংলা গ্রæপের একটি স্বনামধন্য আন্তর্জাতিক এয়ারলাইন্স। ১৭ জুলাই ২০১৪ সালে যাত্রা শুরু করে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স বাংলাদেশের বিমান পরিবহন শিল্পে একের পর এক অনন্য নজির স্থাপন করেছে, অর্জন করেছে সাফল্যের মাইলফলক।
বাংলাদেশ তথা সারাবিশ্বের প্রতিযোগিতামূলক এভিয়েশন ব্যবসায় ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স যাত্রা শুরু করেছিল ৭৬ আসন বিশিষ্ট দু’টি কানাডার বোম্বারডিয়ার তৈরী ড্যাশ৮-কিউ৪০০ এয়ারক্রাফট দিয়ে ঢাকা-যশোর ফ্লাইট পরিচালনার মাধ্যমে। শুরু থেকেই নিজস্ব ক্যাটারিং, ইন হাউজ ট্রেনিং সুবিধা, আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ইন-ফ্লাইট সার্ভিস, যা যাত্রী সাধারনের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে।
এক বছরের মধ্যে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সকল চালু বিমানবন্দরে ইউএস-বাংলা ফ্লাইট পরিচালনা করে সারা দেশের জনগনকে স্বল্পতম সময়ে আকাশপথের মাধ্যমে যোগাযোগ ব্যবস্থাকে করেছে সূদৃঢ়। বর্তমানে অভ্যন্তরীণ রুটে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, সিলেট, যশোর, সৈয়দপুর, বরিশাল, রাজশাহী রুটে প্রতিদিন ফ্লাইট পরিচালনা করছে। অভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইট পরিচালনার সাফল্যের পর ইউএস-বাংলা যাত্রা শুরুর দু’বছরের মধ্যে ১৫ মে ২০১৬ তারিখে ঢাকা-কাঠমান্ডু রুটে ফ্লাইট পরিচালনার মধ্যেমে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে যাত্রা শুরু করে। বর্তমানে কলকাতা, মাস্কাট, দোহা, কুয়ালালামপুর, সিঙ্গাপুর, ব্যাংকক ও গুয়াংজু রুটে নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনা করে আসছে।

বর্তমানে ইউএস-বাংলার বিমান বহরে চারটি বোয়িং ৭৩৭-৮০০ ও তিনটি ড্যাশ৮-কিউ৪০০ এয়ারক্রাফট রয়েছে। রয়েছে নিজস্ব ইন-ফ্লাইট ম্যাগাজিন “বøু স্কাই”। বর্তমানে সপ্তাহে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রুটে ৩০০টির অধিক ফ্লাইট পরিচালিত হয়। চারবছরে প্রায় ৪০ হাজার ফ্লাইট পরিচালনা করেছে, যা বাংলাদেশের এভিয়েশনের ইতিহাসে একটি রেকর্ড। ৯৮.৭% অন-টাইম ফ্লাইট পরিচালনার রেকর্ড নিয়ে অভ্যন্তরীণ রুটে মোট যাত্রী সংখ্যার ৫০ ভাগের অধিক যাত্রী বহন করছে ইউএস-বাংলা।
যাত্রীসেবার অনন্য নজির স্থাপন করায় স্বীকৃতিস্বরূপ ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স অভ্যন্তরীণ রুটে গত তিন বছর যাবত সেরা এয়ারলাইন্স এর মুকুট অর্জন করতে পেরেছে। ইউএস-বাংলার টিকেট সংগ্রহ করার জন্য রয়েছে অন-লাইন বুকিং সুবিধা। রয়েছে হোম ডেলিভারী সুবিধাও। সারাদেশে নিজস্ব ৩০টি সেলস্ অফিস। এছাড়া কাঠমান্ডু, কলকাতা, মাস্কাট, কুয়ালালামপুর, সিঙ্গাপুর, ব্যাংকক, দোহা, গুয়াংজু, কানাডা, নিউইয়র্ক এ নিজস্ব সেলস্ অফিস। ফ্রিকোয়েন্ট ফ্লাইয়ারদের জন্য রয়েছে “স্কাইস্টার” প্যাকেজ। যার মাধ্যমে শুধু টিকেট ক্রয়েই সুবিধা পাবে না বরং যাত্রীরা বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন ধরনের ডিসকাউন্ট সুবিধাও পেয়ে থাকে।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে যাত্রীদেরকে বেশ কয়েকটি আকর্ষণীয় সার্ভিস দিয়ে যাচ্ছে ইউএস-বাংলা, যা অনুকরনীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে এভিয়েশন শিল্পে। উল্লেখযোগ্য সার্ভিসগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে- আন্তর্জাতিক রুটের বিজনেস ক্লাসের যাত্রীদের জন্য রয়েছে পিক-ড্রপ সার্ভিস, আন্তর্জাতিক ফ্লাইট অবতরনের পর ১৫ মিনিটে ল্যাগেজ ডেলিভারী, ওয়েজ আর্নার্সদের জন্য বিমানবন্দরে প্রবাসী সহায়তা ডেস্ক, সিনিয়র সিটিজেনদের জন্য ২০% মূল্যছাড়, সামরিকবাহিনীর কর্মকর্তা ও গলফারদের রয়েছে ১০% মূল্যছাড়সহ আরো নানাবিধ যাত্রীসুবিধা। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স শুধু যাত্রীই পরিবহন করে না সাথে বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক গন্তব্যে কার্গোও পরিবহন করে থাকে।
ভাইব্রেন্ট ব্র্যান্ড নিয়ে ইউএস-বাংলা গ্রæপের অন্যতম প্রতিষ্ঠান ইউএস-বাংলা ফুটওয়্যার লিমিটেড আতœপ্রকাশ করেছে। ফ্যাশন সচেতন গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী দেশের মানুষের আধুনিক ও মননশীল চিন্তার সাথে সামঞ্জস্য রেখেই ভাইব্রেন্ট কাজ করছে। ভাইব্রেন্ট প্রডাক্টের মান ও দামের প্রতি বিশেষভাবে লক্ষ্য রেখে গ্রাহকদের উন্নত সেবা প্রদান করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

প্রাথমিকভাবে প্রায় ৭০০ মডেলের পুরুষ, মহিলা ও শিশুদের জন্য নিত্য নতুন জুতার কালেকশন রাখা হয়েছে। ইতিমধ্যে রাজধানী ঢাকার মৌচাক, গুলশান ও রামপুরা এবং চট্টগ্রামের হালিশহরে ভাইব্রেন্টের কার্যক্রম শুরু করেছে। সেই সাথে সারাদেশের জেলা শহরে ধারাবাহিকভাবে ভাইব্রেন্টের শো-রুম খোলা হবে। ২০১৮ সালের মধ্যে প্রায় ১০ টি আউটলেটে কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। গ্রাহকদের সুবিধার্থে প্রত্যেকটি আউটলেটেই ক্যাশ ক্রয় ছাড়াও ভিসা ও মাস্টার কার্ড গ্রহন করা হবে। অনলাইন এর মাধ্যমেও ভাইব্রেন্টের সকল পণ্য গ্রাহকসেবায় অন্তর্ভূক্ত হয়েছে।

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের অন্যতম সহযোগী প্রতিষ্ঠান অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক কুরিয়ার সার্ভিস ইউএসবি এক্সপ্রেস, যা বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন সেবাপ্রদানকারী কুরিয়ার সার্ভিস প্রতিষ্ঠান হিসেবে আতœপ্রকাশ করেছে। ইউএসবি এক্সপ্রেস এর মূল ভিত্তি হচ্ছে আপনার পন্যের যথাযথ নিরাপত্তা প্রদান, টেকনোলজিক্যালি পণ্যের অবস্থান নিশ্চিতকরণ, দ্রæততম সময়ে নির্ধারিত গন্তব্যে পণ্য পৌঁছানো। তুলনামূলক কম খরচে সঠিক মান বজায় রেখে ইউএসবি এক্সপ্রেস আপনার পণ্য পরিবহন সেবা শুরু করেছে। দেশে কিংবা বিদেশে আপনার পণ্য পৌছাতে দ্রæততার সাথে ট্র্যাকিং পদ্ধতি ব্যবহার করে পণ্যের অবস্থান সুনিশ্চিত করে প্রথমদিন থেকেই আধুনিক সেবা দিচ্ছে ইউএসবি এক্সপ্রেস। ইউএসবি এক্সপ্রেসের সেবার অন্যতম লক্ষ্য তিনটি যথাক্রমে বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের পন্য অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের কাছে স্থানান্তর, কাস্টমারদেরে কাছে বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের পণ্য এবং বিভিন্ন কাস্টমারদের পণ্য অন্যান্য কাস্টমারদের কাছে স্থানান্তর।

ইউএস-বাংলা গ্রæপের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ। মেধা, ছাত্রী, ভাই-বোন, স্বামী-স্ত্রী, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, মুক্তিযোদ্ধা ও খেলোয়াড় কোটায় ভর্তিচ্ছুরা সর্বোচ্চ ১০০% পর্যন্ত স্কলারশিপে ভর্তি হতে পারছেন এই বিশ্ববিদ্যালয়ে। এসএসসি ও এইচএসসির ফলাফলের ওপর ভিত্তি করেও পাচ্ছেন বিশেষ ছাড়। এছাড়া কর্পোরেট ও গ্রæপভিত্তিক ভর্তি হলে রয়েছে অতিরিক্ত ওয়েভার।

গ্রিন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাচেলর ও মাস্টার্স পর্যায়ের প্রোগামগুলোর মধ্যে রয়েছে বিবিএ, এমবিএ, ইএমবিএ, এলএলবি, এলএলএম, সমাজবিজ্ঞান, সিএসই, ইইই, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং, ইংলিশ এবং ফিল্ম, টেলিভিশন ও ডিজিটাল মিডিয়া।

গ্রিন ইউনিভার্সিটির যাত্রা ২০০৩ সালে। বর্তমানে মিরপুর শেওড়াপাড়ায় মোট তিনটি ভবনে এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। যা শীঘ্রই পূর্বাচল আমেরিকান সিটিস্থ স্থায়ী ক্যাম্পাসে চলে যাবে। সেখানেই সুবিশাল জায়গা আর সবুজে আচ্ছাদিত পরিবেশে আবাসিক শিক্ষার্থী হিসেবে পড়ালেখা করবেন এ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা।

ছাত্র-শিক্ষক বিনিময় এবং যৌথ গবেষণা প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কানাডার ইউনিভার্সিটি অব রেজিনা, যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব হাডারস্ফিল্ড, চীনের বেইজিং ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড কালচারাল ইউনিভার্সিটি (বিএলসিইউ) এবং উহান টেক্সটাইল ইউনিভার্সিটির সঙ্গে এমওইউ ছাড়াও ঘনিষ্ট যোগাযোগ রয়েছে বিশ্বের নামকরা অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে গ্রিন ইউনিভার্সিটির যোগাযোগ রয়েছে। অর্জন করেছে বিশ্বের বিখ্যাত ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব ইউনিভার্সিটি প্রেসিডেন্ট ও অ্যাসোসিয়েশন অব ইউনিভার্সিটিজ ইন এশিয়া অ্যান্ড প্যাসিফিকের সদস্য পদ। জাপান যাওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট ভাষার ওপর ‘নাট-টেস্ট’ পরীক্ষা বাংলাদেশে একমাত্র গ্রিন ইউনিভার্সিটিতে সম্পন্ন হয়। এর বাইরেও বেশ কিছু বিশ্ববিদ্যালয় ও সংস্থার সঙ্গে যৌথ গবেষণার চুক্তি রয়েছে।

বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ১৮৩জন শিক্ষক পাঠদান করছেন। যেখানে অধ্যাপক ১২জন, সহযোগী অধ্যাপক ৯জন, সহকারী অধ্যাপক ২৭জন এবং ১১৩জন লেকচারারসহ বেশ কিছু খÐকালীন শিক্ষক রয়েছেন। সুবিশাল গ্রন্থাগারে রয়েছে প্রায় ২০হাজার বই। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অন্তত ১০টি গবেষণা প্রজেক্ট পরিচালিত হচ্ছে।

শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশেও গ্রিন ইউনিভার্সিটিতে ব্যাপক সামাজিক-সাংস্কৃতিক চর্চার সুব্যবস্থা রয়েছে। এজন্য গড়ে উঠেছে ১৭টি ক্লাব। রয়েছে উন্নত যন্ত্রপাতিসমৃদ্ধ ২৫টি ল্যাবরেটরি। ছাত্র-ছাত্রীদের পাঠ্য বইয়ের সঙ্গে নিয়মিত বিষয়ভিত্তিক মাসিক সেমিনার-সিম্পোজিয়াম, ক্যারিয়ার গঠনমূলক ওয়ার্কশপ, সাপ্তাহিক বিতর্ক প্রতিযোগিতা, সেমিনার-সিম্পোজিয়াম, স্টাডি ট্যুর, আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ক্রিকেট ও ফুটবল টুর্নামেন্টসহ বিভিন্ন ধরণের গেমসে সস্পৃক্ত করাও এ গ্রিন বিশ্ববিদ্যালয়ের রুটিন ওয়ার্ক। গ্রিন ইউনিভার্সিটিতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গুণগত মান বাড়ানোর জন্য “ইন্টারনাল কোয়ালিটি এ্যাসিওরেন্স সেল (আইকিউএসি)” চালু আছে। এই সেলের অধীনে শিক্ষা কার্যক্রমের কোর্স প্রণয়ন, শিক্ষাদানে নতুনত্ব আনা, দুর্বল দিকগুলো চিহ্নিত করে সেগুলোর মানোন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগিতা প্রদান, তাদের খেলাধুলার সুবিধা নিশ্চিতকরণসহ নানা ধরনের কাজ করছে।

২১ শতকের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার দৌঁড়ে গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ সদা চেষ্টা করে যাচ্ছে। এজন্যই এ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা, সহ-শিক্ষাসহ আধুনিক অনেক বৈশিষ্ট্যে অনন্য। দেশীয় সংস্কৃতি, মূল্যবোধ ও নীতি বজায় রেখে আমেরিকান ক্রেডিট পদ্ধতিতে গুণগত মানসম্পন্ন শিক্ষা দেওয়া হয়ে থাকে এ বিশ্ববিদ্যালয়ে।

বর্তমানে নারায়নগঞ্জের রূপগঞ্জে রয়েছে ইউএস-বাংলা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে পূর্বাচল আমেরিকান সিটিতে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন নয়া দিল্লী ভিত্তিক “এস্ট্রোন হসপিটাল এন্ড হেলথ্ কেয়ার কনসালট্যান্টস (প্রাঃ) লিমিটেড” আধুনিক সকল সুযোগ সুবিধা সম্পন্ন চিকিৎসা সেবার কার্যক্রম পরিচালনা করা যায়, ঠিক সেই ধরনের ইউএস-বাংলা মেডিকেল কলেজ এন্ড হসপিটালের কর্মপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। আগামী তিন মাসের মধ্যে পূর্বাচলে হসপিটালের অবকাঠামো উন্নয়নের কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া রয়েছে ইউএস-বাংলা লেদার ইন্ডাস্ট্রিজ সম্পূর্ণ রপ্তানীমূখী একটি শিল্প প্রতিষ্ঠান। চলতি বছর শেষ প্রান্তিকে ইউএস-বাংলা হাইটেক আতœপ্রকাশ করতে যাচ্ছে। যেখানে নানাধরনের ইলেকট্রনিক পন্য উৎপাদন করার পরিকল্পনা রয়েছে। দেশীয় চাহিদা পূরনের পর বিদেশেও রপ্তানীর পরিকল্পনা আছে।

ইউএস-বাংলা গ্রæপের প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্যই হচ্ছে সর্বোচ্চ কাস্টমার সন্তুষ্টি, কর্পোরেট সংস্কৃতি মেনে চলা, সর্বোপরি একটি সুনিয়ন্ত্রিত টীম গঠন করা, যা দিয়ে আর্থ ও সামাজিকভাবে এগিয়ে চলেছে। ইউএস-বাংলা গ্রæপের প্রতিষ্ঠানগুলি কোয়ালিটি সিস্টেমের ক্ষেত্রে আইএসও ৯০০১:২০০৮ দ্বারা সার্টিফাইড।

ইউ্এস-বাংলা গ্রæপ কর্পোরেট জগতে খ্যাতি অর্জনের সাথে সাথে কর্পোরেট সোস্যাল রেসপন্সিবিলিটি (সিএসআর) এর প্রতি সব সময় সজাগ। সকল প্রতিষ্ঠানে প্রায় তিন হাজারের অধিক লোকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছে ইউএস-বাংলা গ্রæপ। যেমন রয়েছে ইউএস-বাংলা’র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিনা বেতনে পড়ার সুযোগ তেমনি আছে হাসপাতালে বিনা খরচে চিকিৎসার সুযোগ।

Aviation News