গৃহকর্মী হিসেবে নারীদের কেন বিদেশে পাঠাতে হবে

এই লেখাটি 56 বার পঠিত

বিদেশ ফেরত নারীদের পাশে রাষ্ট্রসহ সবাইকে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক। তার প্রশ্ন, ‘বাংলাদেশি নারীদের কেন গৃহকর্মী হিসেবে বিদেশে পাঠাতে হবে, যেখানে তারা নিরাপদ নয়? নারী কর্মী পাঠানোর আগে অবশ্যই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।’ বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাক এবং লেদার-গুডস অ্যান্ড ফুটওয়্যার ম্যানুফ্যাকর্চারস অ্যান্ড এক্সপোটার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (এলএফএমইএবি) যৌথ উদ্যোগে বিদেশ ফেরত নারীদের সহায়তা ও
সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সোমবার ব্র্যাক সেন্টারে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
কাজী রিয়াজুল হক বলেন, বিদেশ ফেরত নারীদের আর কত কান্না আমরা শুনব? মধ্যপ্রাচ্যে নারীরা শারীরিক, মানসিক এবং যৌন নিপীড়নের শিকার হচ্ছে। ফিলিপাইন, শ্রীলঙ্কা যখন নারী কর্মী পাঠানো কমিয়ে দিচ্ছে, সেখানে কেন আমরা গৃহকর্মী পাঠাচ্ছি? গৃহকর্মে তো মানুষ নিরাপদ নয়। আর সৌদি আরবে তো তারা পরিবার-পরিজনের সঙ্গে কথা বলতে পারে না। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ব্র্যাকের পরিচালক কেএম মোরশেদ। অনুষ্ঠানে ২২ নারী কর্মীকে জনপ্রতি এক লাখ টাকার চেক ও দুটি নতুন শাড়ি প্রদান করা হয়। এছাড়া ৫০ জনকে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরি প্রদানের বিষয়ে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। আলোচনা অনুষ্ঠান শেষে বিদেশে ফেরতদের পুনরেকত্রীকরণে ব্র্যাক ও এলএফএমইএবির মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়। এলএফএমইএবির পক্ষে সভাপতি মো. সায়ফুল ইসলাম এবং ব্র্যাকের পক্ষে অভিবাসন কর্মসূচির প্রধান শরিফুল ইসলাম হাসান এতে স্বাক্ষর করেন।

Aviation News