এখনো উড়োজাহাজ লিজ নিতে পারেনি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স

এই লেখাটি 151 বার পঠিত

হজ ফ্লাইট শুরুর আর মাত্র এক মাস বাকি থাকলেও এখনো পরিকল্পনা অনুযায়ী দুটি উড়োজাহাজ লিজ নিতে পারেনি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। হজ এজেন্টদের সংগঠন হাবের অভিযোগ, বিমানের অদূরদর্শিতার কারণে প্রতিবছরই হজ যাত্রী পরিবহনে সংকট দেখা দেয়। সেই সঙ্গে হজ ফ্লাইটের শিডিউল ঘোষণা ও টিকিট ইস্যুতে দেরির কারণে সৌদি আরবে বাড়ি ভাড়া নিতে ভোগান্তিতে পড়তে হয় তাদের। বিমানের দাবি, কোন কারণে আরো দুটি উড়োজাহাজ লিজ নেয়া সম্ভব না হলেও ফ্লাইট শিডিউল পুনর্বিন্যাস করে হজ যাত্রী পরিবহন করা হবে।

১৪ জুলাই শুরু হচ্ছে হজ ফ্লাইট। এবার মোট ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জনের হজ পালনে সৌদি আরব যাওয়ার কথা করা রয়েছে। এর অর্ধেক যাত্রী বহন করবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। এজন্য বেশ আগেই সংস্থাটি ঘোষণা দিয়েছিল, হজ যাত্রী পরিবহনে এবার ৪টি উড়োজাহাজ লিজ নেয়া হবে। অথচ এর মধ্যে দু’টি উড়োজাহাজ বহরে যুক্ত হলেও বাকি দুটির বিষয় এখনো অনিশ্চিত। উড়োজাহাজ সংকটে গেল বছর কাটছাট করা হয় অনেক নিয়মিত ফ্লাইট।

হাবের অভিযোগ, বাংলাদেশ বিমানের সিদ্ধান্ত নিতে কালক্ষেপনের কারণেই প্রতিবছর উড়োজাহাজ সংকট হয়। এতে দুভোর্গে পড়তে হয় হজ যাত্রীদের। সেইসঙ্গে দেরিতে ফ্লাইট শিডিউল ঘোষণার কারণে সৌদিতে বাড়ি ভাড়া নিতেও বেগ পেতে হয় হজ এজেন্টদের।

শাহাদাত হোসাইন তাসলিম (মহাসচিব, হাব) বলেন, বিমান নিয়ে কেন অনিশ্চয়তায় থাকবো? বিমানের আগে থেকেই সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত ছিল।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ জানায়, সৌদি সরকার ফ্লাইট শিডিউল অনুমোদন দিতে দেরি করায় টিকিট ইস্যু করতে দেরি হয়েছে। তবে, উড়োজাহাজ লিজ নেয়ার প্রক্রিয়া চলছে জানিয়ে বাংলাদেশ বিমানের এই কর্মকর্তা জানান, সম্ভাব্য সংকট মোকাবেলায় প্রস্তুত তারা।

শাকিল মেরাজ (মহাব্যবস্থাপক, জনসংযোগ, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স) বলেন, স্বাভাবিক ফ্লাইটে যেন কোন সমস্যা না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। যদি চারটি বিমান ভাড়ায় না আসে তবে যে বিমান আছে সেগুলো দিয়েই কাজ চালাতে হবে।

এ বছর হজের আগে ১৫৫টি ও পরে ১৪৩টি ডেডিকেটেড ফ্লাইট পরিচালনা করবে বাংলাদেশ বিমান। ভিসা জটিলতাসহ নানা সমস্যায় যাত্রীর অভাবে, গেল বছর বিমানের ২৪টি হজ্ব ফ্লাইট বাতিল হয়। এ বছর যেন একই সমস্যা না হয় তাই হজ এজেন্টদের সময়মতো সব প্রক্রিয়া শেষ করার আহবান বিমানের।

Aviation News