কক্সবাজার বিমানবন্দরে প্যাসেঞ্জার ভবন নির্মাণের প্রস্তাব অনুমোদন

এই লেখাটি 86 বার পঠিত

কক্সবাজার বিমানবন্দরে আন্তর্জাতিক মানের প্যাসেঞ্জার ভবন নির্মাণের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। ২৭৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ভবনটি নির্মাণ করবে দেশীয় দুটি প্রতিষ্ঠান মেসার্স সিআরএফজি ও এনডিই। বুধবার (৩০ মে) সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি এ প্রস্তাবের অনুমোদন দেয়।

সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভাপতি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। বৈঠকে কমিটির সদস্য, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিনিয়র সচিব এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণলয়ের সচিব ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোস্তাফিজুর রহমান এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের ‘কন্সট্রকশন অব ইন্টারন্যাশনাল প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল বিল্ডিং অ্যাট কক্সবাজার এয়ারপোর্ট’ শীর্ষক কাজ সম্পাদনে ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে কমিটি। প্রকল্পে ব্যয় হবে ২৭৫ কোটি টাকা। সিআরএফজি-এনডিই নামের দুটি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. মহিবুল হক স্বাক্ষরিত প্রস্তাবনায় বলা হয়, কক্সবাজার বিমানবন্দর দেশের অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দর সমূহের মধ্যে অন্যতম। বর্তমানে এ বিমানবন্দরে প্রতিদিন গড়ে ১০টি যাত্রীবাহী ও চারটি কার্গো বিমান উড্ডয়ন-অবতরণ করে। দেশের পর্যটন শিল্প বিকাশে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের যাতায়াত সুবিধায় পর্যটন নগরী কাক্সবাজারের সঙ্গে রাজধানীসহ অন্যান্য শহরের মধ্যে সুপরিসর বিমান চলাচল সুবিধা নিশ্চিত করা দরকার। এ লক্ষ্যে ‘কক্সবাজার বিমানবন্দর উন্নয়ন (১ম পর্যায়)’ শীর্ষক একটি প্রকল্প চলমান রয়েছে। এ প্রকল্পের আওতায় রানওয়ের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ বর্ধিতকরণ, লাইটিং সিস্টেম ও যন্ত্রাপাতি স্থাপনসহ রানওয়ের সুবিধাদি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মানদণ্ডে উন্নীত করা হচ্ছে।

প্রস্তাবনায় আরও বলা হয়- কক্সবাজার বিমানবন্দরের সঙ্গে সরাসরি বহির্বিশ্বের যোগাযোগ স্থাপনের লক্ষ্যে একটি আন্তর্জানিত প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল ভবন নির্মাণ আবশ্যক। এ লক্ষ্যে বর্ণিত প্রকল্পটি ২৭৫ কোটি টাকা ব্যয়ে বেবিচকের নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হয়।

এছাড়া একই মন্ত্রণালয়ের ‘এক্সটেনশন অব অ্যাপ্রন টুয়ার্ডস নর্থ অব দ্য এক্সিস্টিং এক্সপোর্ট কার্গো অ্যাপ্রন অ্যাট হযরত শাহজালাল ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট (ফেইজ-২)’ শীর্ষক কাজ সম্পাদনের জন্য ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে কমিটি বলেও জানান মোস্তাফিজুর রহমান। এ প্রকল্পে ব্যয় হয়েছে ১৫৫ কোটি ২৬ লাখ টাকা। মেসার্স ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড নামের একটি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে।

Aviation News