স্ত্রীকে হত্যার ‘অভিনব’ ফন্দি!

এই লেখাটি 65 বার পঠিত

চার হাজার ফুট উঁচু হতে বিমান থেকে ঝাঁপ মারার সময় ভিক্টোরিয়া সিলিয়ার্স বুঝতেই পারেননি প্যারাস্যুট খুলবে না। প্যারাস্যুট খুলবে কী করে, তার স্বামী যে আগেই সেই ব্যবস্থা করে রেখেছেন; যাতে করে তার প্যারাস্যুট না খোলে।

বিমান থেকে লাফ দেওয়ার পর যখন বিষয়টি বুঝতে পারলেন, তখন ভিক্টোরিয়া এটাও বুঝে ফেলেছিলেন যে তার মৃত্যু অনিবার্য।

হুড়হুড় করে নিচে নামার সময় ভিক্টোরিয়া শুধু একবার তাকিয়ে দেখেছিলেন, কোথায় পড়তে যাচ্ছেন। দেখেই চোখ বুঁজে ফেলেছিলেন, জ্ঞানও হারিয়ে ফেলেছিলেন।

মেরুদণ্ডে মারাত্মক চোট পেয়েছিলেন ৪১ বছর বয়সী ভিক্টোরিয়া। তার কলার বোন ভেঙে যায়। পাও ভেঙে যায়। এমনকি পাঁজরের হাড় ভেঙে চুরমার হয়ে যায়।

তার পরেও ভাগ্যের জোরে বেঁচে যান ভিক্টোরিয়া; সদ্য চাষ করা জমিতে আছড়ে পড়েছিলেন বলে নরম মাটিই তার প্রাণ বাঁচিয়েছিল।

ভিক্টোরিয়া স্কাই ডাইভ করতে যাবেন শুনে তাকে মেরে ফেলার ফন্দি এঁটে তার প্যারাস্যুট যাতে আকাশে না খোলে, আগেভাগেই তার ব্যবস্থা করে রেখেছিলেন স্বামী এমিল সিলিয়ার্স। জানা গেছে, এমিল ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর জওয়ান।

গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাজ্যের উইনচেষ্টার ক্রাউন কোর্ট স্ত্রীকে খুনের চেষ্টার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করেছে ৩৮ বছর বয়সী এমিলকে। দিনকয়েকের মধ্যেই তার সাজা ঘোষণা করবে আদালত।

আদালতে দেওয়া সাক্ষ্য অনুযায়ী, এর আগেও স্ত্রী ভিক্টোরিয়াকে হত্যাচেষ্টা করেছিলেন এমিল; বাড়িতে গ্যাস কুকার ফেটে ভিক্টোরিয়া যাতে মারা যান সেই ব্যবস্থা করে রেখেছিলেন তিনি।

জানা গেছে, স্ত্রীর নামে প্রচুর বীমা আছে। স্ত্রীর মৃত্যু হলে সেই টাকা দিয়ে প্রেমিকাকে নিয়ে চুটিয়ে সংসার করতে পারবেন তিনি। এজন্য হিসেব কষেই ভিক্টোরিয়াকে খুনের চেষ্টা করেছিলেন এমিল।

Aviation News