স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিলেন বিমানের মেকানিক আফজাল

এই লেখাটি 967 বার পঠিত
সংগৃহীত

স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিলেন বিমানের মেকানিক আফজাল।

২ জুলাই হজরত শাহাজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাড়ে ১২ কেজি সোনাসহ আটক হওয়া বাংলাদেশ বিমানের মেকানিক মোহাম্মাদ আফজাল হোসেন হাওলাদার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

সোমবার (৮ জুলাই) চার দিনের রিমান্ড শেষে আসামিকে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বিমানবন্দর থানার এসআই শরীফ হোসেন ঢাকার সিএমএম আদালতে হাজির করে জবানবন্দি রেকর্ড করার জন্য আবেদন করেন।

সিএমএম ওই আবেদনের প্রেক্ষিতে ম্যাজিস্ট্রেট সাদবীর ইয়াছির আহসান চৌধুরীকে দায়িত্ব দেন। তিনি দায়িত্ব পেয়ে আসামিকে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেবে কি দেবে না সেজন্য ২ ঘন্টা সময় দেন। সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পর আসামি জবানবন্দি দেয়। তার দেওয়া জবানবন্দি ম্যাজিষ্ট্রেট ফৌজদারী কার্যবিধি ১৬৪ ধারায় রেকর্ড করেন। জবানবিন্দ শেষে তাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

উল্লেখ্য, গত ২ জুলাই ওমানের মাস্কট থেকে আগত বিমানে টয়লেটের টিস্যু বক্স থেকে ৬ কোটি ৩৮ লাখ টাকা মূল্যের সোনা উদ্ধার করে কাস্টম হাউসের বিমানবন্দর প্রিভেন্টিভ টিম। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের এয়ারক্রাফট মেকানিক মোহাম্মাদ আফজাল হোসেন হাওলাদারকে আটক করা হয়।গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইট নং বিজি১২২ থেকে সোনার চালানটি উদ্ধার করে কাস্টম হাউসের বিমানবন্দর প্রিভেন্টিভ টিম। ফ্লাইটটি চট্টগ্রাম হয়ে সকাল সাড়ে ১১টায় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। অবতরণের পরে বিমানের টয়লেটের মধ্যে ব্যবহৃত টিস্যু ফেলার বক্সের নিচের একটি গোপন স্থান থেকে কালো স্কচটেপে মোড়ানো ছয়টি বান্ডিল উদ্ধার করা হয়।উদ্ধারকৃত বান্ডিলগুলো বিভিন্ন সংস্থার কর্মকতাদের সামনে খুলে প্রতিটি ১০ তোলা ওজনের মোট ১১০টি বার উদ্ধার করা হয়। যার মোট ওজন ১২.৭৬ কেজি।

এ ঘটনায় দ্য কাস্টমস অ্যাক্ট, ১৯৬৯ এবং স্পেশাল পাওয়ার অ্যাক্ট, ১৯৭৪ অনুযায়ী বিমানবন্দর থানায় মামলা দায়ের করা হয়।

Aviation News