থাইল্যান্ডের যে সমুদ্র সৈকতে মাথার ওপর দিয়ে বিমান যায়

এই লেখাটি 202 বার পঠিত
plane

থাইল্যান্ডের যে সমুদ্র সৈকতে মাথার ওপর দিয়ে বিমান যায়।

উপকূলে পর্যটকেরা দাঁড়িয়ে, মেঘহীন আকাশে কেউ প্লেনের খোঁজ করছেন, কেউবা মোবাইল ফোনে প্লেনের শিডিউল জানার চেষ্টা করছেন। হালকা বাদামি রঙের বালু, প্রায় ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়ার তাপমাত্রা।
প্লেনের আগমন দেখতে পেয়ে ওই গরম বালুর মধ্যেই বেশ কিছু পর্যটক দৌড়ে যার যার অবস্থান নিয়ে নেন, তৈরি হন ছবি তোলার জন্য। ক্যামেরা বা ফোন রেডি, শুধু মুহূর্তটির অপেক্ষা।

দেখতে দেখতে প্লেন চলে আসে, মাথার সামান্য কিছু উপর দিয়ে উড়ে যায়। তার নিচে দাঁড়িয়ে আগে থেকে প্রস্তুত থাকা মানুষগুলো ছবি তোলেন নানা ভঙ্গিতে। তাদের মাথার উপর দিয়ে প্লেনটি আস্তে নেমে যায় তার গন্তব্যস্থলে।
দৃশ্যটি থাইল্যান্ডের ফুকেট আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সংলগ্ন সমুদ্র সৈকতের। এর নাম ‘মাই খাও বিচ’ (Mai Khao Beach), যার উপর দিয়ে ১৫-২০ মিনিট পরপরই প্লেন উড়ে যায়। প্লেন অবতরণে বিমানবন্দরটি এশিয়ার অন্যতম হিসেবে খ্যাত।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্যমতে, এ বছর এ পর্যন্ত এক লাখ ১৬ হাজার ৪৮৭টি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলাচল করেছে। ঝুঁকি থাকা সত্বেও পার্শ্ববর্তী সৈকতে এভাবেই ছবি তোলেন পর্যটকেরা।
Airportspotting.com -এর প্রতিষ্ঠাতা ও World Airports Spotting Guides -এর লেখক মাট ফ্যালকাস বলেন, বিশ্বব্যাপী যারা ভ্রমণ করেন তাদের উদ্দীপনা সম্পর্কে আমি জানি। এখানে বিভিন্ন ধরনের প্লেন দেখা যাবে, যার কারণে ফুকেট রিসোর্ট হিসেবে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে।
তিনি বলেন, সৈকতটি পৃথিবীর হাতে গোনা কয়েকটি ট্যুরিস্ট স্পটের মধ্যে একটি, যেখানে পর্যটকেরা প্লেনের খুব কাছে দাঁড়িয়ে তা দেখতে পান। ক্যারিবিয়ান সাগর ও গ্রীসেও এ ধরনের সৈকত আছে।
তবে বিষয়টি যে সবাই উপভোগ করেন তা নয়। বহু পর্যটক আতঙ্কগ্রস্তও হয়ে পড়েন। এ অবস্থায় বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ পর্যটকদের বছর খানেক ধরে সতর্ক করে আসছে। সৈকতে প্রবেশ ও চলাচলে ইতোমধ্যে বিধি-নিষেধ আরোপ করা হয়েছে।

সূত্র: সিএনএন

Aviation News