বেসরকারি উদ্যোগে হচ্ছে হেলিপোর্ট

এই লেখাটি 189 বার পঠিত

দেশের হেলিকপ্টার কোম্পানিগুলোর জন্য হেলিপোর্ট ও অ্যারোনটিক্যাল কমপ্লেক্সের দায়িত্ব নেবে না সরকার। আর এ সুযোগকে কাজে লাগাচ্ছে দেশের শীর্ষস্থানীয় গ্রুপ বসুন্ধরা। বেসরকারি খাতে প্রথম হেলিপোর্ট ও অ্যারোনটিক্যাল কমপ্লেক্স স্থাপন করবে তারা।

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) ও বসুন্ধরা গ্রুপ সূত্রে জানা গেছে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সব হেলিকপ্টার সেবা প্রতিষ্ঠানগুলোর স্থাপনা স্থানান্তর প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। বর্তমানে শাহজালালে বেসরকারি হেলিকপ্টার প্রতিষ্ঠানগুলো মোট ২ লাখ ১৯ হাজার ২৯৭ বর্গফুট জায়গায় তাদের হ্যাঙ্গারসহ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এ অবস্থায় বেসরকারি খাতে প্রথম হেলিপোর্ট ও অ্যারোনটিক্যাল কমপ্লেক্স নির্মাণে এনওসির জন্য অপেক্ষা করছে বসুন্ধরা গ্রুপ। বেবিচক এনওসি দিলেই প্রকল্পের কাজ শুরু হবে।

বেবিচকের প্রকৌশল বিভাগ জানিয়েছে ফ্লাইট অপারেশন, অফিস ও বাণিজ্যিক স্পেস, এমআরও প্রতিষ্ঠান, একাডেমিক ইনস্টিটিউট ইত্যাদি থেকে শুরু করে হেলিকপ্টার সেবা প্রদানের অন্যান্য সব সুযোগ-সুবিধা থাকবে ওই হেলিপোর্ট ও অ্যারোনটিক্যাল কমপ্লেক্সে।

এ বিষয়ে বেবিচকের ফ্লাইট সেফটি ও রেগুলেশন বিভাগের পরিচালক জিয়াউল কবির বলেন, বেসরকারি খাতে হেলিপোর্ট ও অ্যারোনটিক্যাল কমপ্লেক্স স্থাপনের জন্য একটি প্রকল্প প্রস্তাবনা দিয়েছে বসুন্ধরা গ্রুপ। বেবিচকের পক্ষ থেকে প্রাথমিক পরিদর্শন শেষ করা হয়েছে।

উ্ল্লেখ্য, বাণিজ্যিকভাবে বর্তমানে আটটি কোম্পানি হেলিকপ্টার ব্যবসা করছে। এগুলো হচ্ছে— শিকদার গ্রুপের আরঅ্যান্ডআর এভিয়েশন, বাংলা ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইনস, বিআরবি এয়ার, মেঘনা এভিয়েশন, পারটেক্স অ্যারোটেকনোলজি, স্কয়ার এয়ার, বসুন্ধরা এয়ারওয়েজ ও সাউথ এশিয়ান। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশিসংখ্যক হেলিকপ্টার রয়েছে শিকদার গ্রুপের। তাদের বিভিন্ন মডেলের সাতটি হেলিকপ্টার রয়েছে। ১৯৯৯ সালে বেসরকারি উদ্যোগে প্রথম বাণিজ্যিক হেলিকপ্টার সেবা চালু করে সাউথ এশিয়ান এয়ারলাইনস। ২০০৮ সাল পর্যন্ত মাত্র দুটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এ সেবা প্রদান করত। বর্তমানে লাইসেন্স পাওয়ার অপেক্ষায় আছে আরও বেশ কয়েকটি কোম্পানি।

Aviation News