সৈয়দপুর বিমানবন্দর সম্প্রসারণের খবরে হঠাৎ বাড়ি তৈরির হিড়িক

এই লেখাটি 345 বার পঠিত

নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দর সম্প্রসারণের খবরে দক্ষিণ অংশে হঠাৎ ঘর বা ও বৃক্ষ রোপণের প্রতিযোগিতায় নেমেছে জমির মালিকরা।গত সোমবার সরেজমিনে গেলে এ দৃশ্য দেখা যায়।

বর্তমান সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আঞ্চলিক বিমানবন্দরে উন্নীতকরণ কার্যক্রম শুরুর খবর ছড়িয়ে পড়লে দক্ষিণ অংশে রাতারাতি ঘরবাড়ি নির্মাণ ও বৃক্ষ রোপণ শুরু করেন জমির মালিকরা। সৈয়দপুর বিমানবন্দর আঞ্চলিক মানের হলে উপকৃত হবে সৈয়দপুরসহ এ জনপদের ব্যবসায়ীসহ খেটে খাওয়া মানুষরা। এক শ্রেণীর মানুষ এ কার্যক্রমকে ব্যাঘাত সৃষ্টি করতে জমির মালিকের সাথে আঁতাত করে তাদের পরামর্শে জমির মালিকরা রাতারাতি আবাদি ও পরিত্যক্ত জমিগুলোতে নিম্নমানের ইট ও নামমাত্র সিমেন্ট দিয়ে ঘর নির্মাণ করছেন। কেউবা টিনের ছাউনি ও টিনের বেড়া দিয়ে ঘর নির্মাণ করে রেখেছেন।
অপরদিকে অনেক জমিতে বৃক্ষ রোপণের হিড়িক পড়েছে। বিমানবন্দর আধুনিকায়ন হতে যাচ্ছে শুনে সুযোগ সন্ধানীরা ক্ষতিপূরণ বাবদ বেশি টাকা পাওয়ার লোভে এ কাজ করছেন বলে একাধিক সূত্র জানায়। ওই এলাকার কয়েকজন দাদন ব্যবসায়ী জমির মালিকদের কাছ থেকে কয়েক বছরের চুক্তিতে জমি নিয়ে এ ঘর নির্মাণ ও বৃক্ষ রোপণ করছে। তারা মূলত জমির মালিকদের চেয়ে বেশি টাকার আশায় এ কাজ করছে। তাদের উদ্দেশ্য বিমানবন্দরের কাজে ব্যাঘাত সৃষ্টি ও সরকারকে এসব দেখিয়ে মোটা অংকের টাকা আদায় করা।
ওই এলাকায় কয়েকজন দাদন ব্যবসায়ীর সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করলে তারা সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে পালিয়ে যায়। তবে বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, আঞ্চলিক বিমানবন্দর ঘোষণার পর বিমানবন্দরের আশপাশে ভিডিও দৃশ্য ধারণ করা হয়েছে। ওই ফুটেজ দেখে ক্ষতিপূরণ দেয়া হবে।

এ ব্যাপারে সৈয়দপুর বিমানবন্দর ম্যানেজার শাহীন আলম জানান, আঞ্চলিক বিমানবন্দর ঘোষণার পর জমি অধিগ্রহণের জন্য বিমানবন্দরের আশপাশে এলাকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ মিলে দুটি টিম সার্ভে করে। ওই সার্ভে দেখে ক্ষতিপূরণ দেয়া হবে। বর্তমানে অবৈধভাবে যেসব ঘর নির্মাণ ও বৃক্ষ রোপণ এগুলো করে কোনো লাভ হবে না বলেও জানান তিনি। তবে তিনি বিমানবন্দরের উন্নয়নের স্বার্থে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

Aviation News