বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের এমডির পদত্যাগ দাবি

এই লেখাটি 229 বার পঠিত

অতিরিক্ত ভাড়া ও দুর্নীতির অভিযোগ এনে বাংলাদেশ বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের (এমডি) অপসারণ দাবি করেছে বাংলাদেশ হজযাত্রী ও হাজি কল্যাণ পরিষদ নামে একটি সংগঠন। একই সঙ্গে এমডির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

রবিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির গোলটেবিল মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান সংগঠনের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল নাসের।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুল্লাহ আল নাসের বলেন, বিমানের এমডি দুর্নীতির মাধ্যমে হজ্বযাত্রীদের বিমান ভাড়ায় ৫৫ হাজার টাকা বেশি নিচ্ছেন। এর ফলে ৩৪৯ কোটি ৮৯ লাখ ৪৫ হাজার টাকা নীরবে দেশ থেকে পাচার হয়ে যাচ্ছে। তার এই দুর্নীতির জন্য তার পদত্যাগ দাবি করে শাস্তি দাবি করছি।

আল নাসের বলেন, বিমানের ব্যাবস্থাপনা পরিচালক তার অসৎ উদ্যেশ্য হাসিল করার জন্য বিমান ভাড়া ১৬৩৩ ডলার করেছেন। আমরা এই ভাড়া এক হাজার ডলার করার দাবি জানাচ্ছি। গত বছর হজে বিমান ভাড়া এক লাখ ২৪ হাজার ৭২৩ টাকা থাকলেও এ বছর ১৬৩৩ মার্কিন ডলার বা প্রায় এক লাখ ৩৫ হাজার টাকা করার প্রস্তাব করেছে বিমান। যা সম্পূর্ণ অন্যায় সিদ্ধান্ত বলে উল্লেখ করেন তিনি।

নাসের বলেন, এই অন্যায় সিদ্ধান্তের মাধ্যমে হাজিদের কাছ থেকে ৩৪৫ কোটি ৮৯ লাখ টাকা বেশি নেয়ার পাঁয়তারা করা হচ্ছে। এই টাকা নীরবে বিদেশে পাচার হয়ে যাবে, এ জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনে তারা বিরুদ্ধে মামলার দাবি করছি।

আব্দুল্লাহ আল নাসের বলেন, বর্তমানে ঢাকা-জেদ্দা-ঢাকা মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক এয়ারলাইন্সে ভাড়া নেয়া হয় ৩৮ থেকে ৪২ হাজার টাকা। সৌদি এয়ার লাইন্স নেয় ৪৮ হাজার টাকা। এ বছরের ওমরায় বাংলাদেশ বিমান জেদ্দা যাওয়া-আসা ভাড়া নিচ্ছে ৫২ হাজার টাকা। অথচ সেই ভাড়া হজের সময় এক লাখ ৩৫ হাজার টাকা করা কোনো মতেই যুক্তি সম্মত হতে পারে না।

নাসের বলেন, হজের সময় বিমান জেদ্দা গিয়ে খালি ফিরে আসে এবং হজ শেষে হাজিদের নিয়ে আসার পর খালি ফিরে যায়- এ যুক্তিতে ভাড়া দ্বিগুণ করে ৪৮ হাজার থেকে ৯৬ হাজার করা যেতে পারে। কিন্ত তা কোনাভাবেই তিনগুণ হতে পারে না। সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন, পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাতেন, সহ-সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আজাদ হোসেন ও কামরুজ্জামান প্রমুখ।

Aviation News