অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে ১৮ হজ এজেন্সিকে দুদকে তলব

এই লেখাটি 78 বার পঠিত

হজ এজেন্সির প্রতারণা খতিয়ে দেখছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পরও ১৮ হজ এজেন্সির প্রতারণায় ২০১৭ সালে হজে যেতে পারেনি ৯৮ জন। এমন সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে দুদক এ তদন্ত চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ১৮টি হজ এজেন্সির মালিকদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে দুদক। গত মঙ্গলবার দুদকের ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয় থেকে তাদের তলব করে পৃথক চিঠি পাঠানো হয়েছে। অপরদিকে এ ১৮টি হজ এজেন্সির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অবৈধ সম্পদের বিষয়েও খোঁজ নিচ্ছে দুদকের সহকারী পরিচালক মাসুদুর রহমানের নেতৃত্বে দুদকের একটি টিম।

দুদক সূত্র জানিয়েছে, হজ এজেন্সিগুলো হলো, মেসার্স আল সাফা এয়ার ট্র্যাভেলস, আশা এভিয়েশন, গোল্ডেন বাংলা ট্র্যাভেলস এন্ড ট্যুরস, ইউনাইটেড ট্যুরস এন্ড ট্র্যাভেলস, গোল্ডেন ট্র্যাভেলস এন্ড কার্গো সার্ভিস, বুশরা ট্র্যাভেলস এন্ড ট্যুরস, আল-বালাদ ওভারসিজ, গুলশান এ মোহাম্মাদী ট্র্যাভেলস, মাশফালাহ ট্র্যাভেলস, মিডগুয়ে এভিয়েশন, মদিনা এয়ার ইন্টারন্যাশনাল এভিয়েশন, এন. ই. এয়ার সার্ভিস, সাদ এয়ার ইন্টারন্যাশনাল, ইকো এভিয়েশন এন্ড ট্যুরস, ইউরো এশিয়া ট্র্যাভেলস এন্ড ট্যুরস, সিদ্দীকীয়া ট্যুরস এন্ড ট্র্যাভেলস, সাওবান এয়ার ট্র্যাভেলস এবং ওলামা আউলিয়া হজ গ্রুপ বাংলাদেশ।

দুদক সূত্র জানিয়েছে, ২০১৬ সালের বছর শেষে হজে অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতির বিষয়ে মোট ২২৮টি হজ এজেন্সির বিরুদ্ধে অভিযোগ জমা পড়ে মন্ত্রণালয়ে। মন্ত্রণালয় ওইসব অভিযোগের বিস্তারিত তথ্য দুদকে পাঠিয়েছে। এসব অভিযোগসহ এজেন্সির বিরুদ্ধে হজ সংক্রান্ত সকল অভিযোগ খতিয়ে দেখতে দুদকের বিশেষ টিম কাজ শুরু করেছে। তারই ধারাবাহিকতায় ইতোমধ্যে এসব এজেন্সির কার্যালয়ে কয়েক দফা অভিযান চালানো হয়েছে। দুদক টিম তাদের কাছে নথিপত্র তলব করেছে। অনেকে নথিপত্র সরবরাহের জন্য সময় চেয়েছে।

Aviation News