পদ্মার ওপারে নতুন বিমানবন্দরে সংশয়ী সুর

এই লেখাটি 113 বার পঠিত

bdnews24

মুন্সীগঞ্জের আড়িয়ল বিলে করতে না পারার পর পদ্মা নদীর ওপারে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর তৈরির পদক্ষেপ নেওয়া হলেও স্থানটি নিয়ে খোদ সরকার প্রধানের সংশয়ের কথা প্রকাশ পেয়েছে।

পদ্মা সেতুর ওপারের এলাকায় ওই বিমানবন্দর নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাই চললেও ওই চর বিমানবন্দরের ভার সামলাতে পারবে কি না, তা নিয়ে সন্দিহান শেখ হাসিনা।

তিনি বুধবার সংসদে এক প্রশ্নোত্তর পর্বে বলেন, “পদ্মা সেতুর ওপারে চর জানাজাতসহ ওই এলাকায় একটা বিমানবন্দর করবার জন্য সমীক্ষা চালাচ্ছি।

“তবে, এখানে আমাদের অসুবিধাটা হল যেহেতু চর জানাজাত হচ্ছে একটি চর। এই চর বিমানবন্দরটা নিতে পারবে কি না, সেখানকার মাটির সেই শক্তি আছে কি না, তার উপর সমীক্ষা হচ্ছে।”

ঢাকার শাহজালাল বিমানবন্দরের পাশাপাশি বড় আরেকটি বিমানবন্দর স্থাপনের জন্য স্থান হিসেবে মুন্সীগঞ্জের আড়িয়ল বিলকে চিহ্নিত করা হয়েছিল।

২০১১ সালে ওই পদক্ষেপ নেওয়ার পর স্থানীয়দের বিক্ষোভে পিছু হটতে হয় সরকারকে। তখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, সেক্ষেত্রে পদ্মা নদীর ওপারে হবে নতুন বিমানবন্দর।

এই বিমানবন্দরের নাম ‘বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর’ হবে বলেও সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে।

বুধবার সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে জাতীয় পার্টির কাজী ফিরোজ রশীদের প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর এই সংশয়ী সুর ফোটে।

এই চর জানাজাতেই চলছে সমীক্ষা

এই চর জানাজাতেই চলছে সমীক্ষা

বঙ্গবন্ধু বিমানবন্দর স্থাপনে গঠিত সেল তিনটি স্থানে বিমানবন্দর তৈরির সম্ভাব্যতা যাচাই শুরু করলেও জনবসতি ও কৃষিজমি এড়াতে গিয়ে অন্য স্থানগুলো বাদ দিয়েছিল।

বিষয়টি তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, “বাংলাদেশ এত ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা যে এখানে নতুন একটা কিছু করতে গেলেই সমস্যা হয়ে যায়। যে জায়গাগুলো সমীক্ষা করে বের করা হয়েছে সেখানে প্রচুর মানুষের বসবাস।  সেখানে এতগুলো মানুষ ওখান থেকে সরিয়ে বিমানবন্দর করা সমীচীন হবে বলে আমি মনে করি না।

“এজন্য আমরা আরও সমীক্ষা চালাচ্ছি। যেখানে একটু ফাঁকা ও বিমানবন্দর হওয়ার মতো মজবুত জায়গা পাব, যেখানে বিমান ওঠানামা করলে ক্ষতি হবে না, তা দেখছি।  এই সমীক্ষা যদি সফল হয়, তাহলে নিশ্চয়ই ওপারে একটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর আমর করব।”

Aviation News