শাহজালাল বিমানবন্দরে হয়রানির শিকার হচ্ছেন যাত্রীরা

এই লেখাটি 477 বার পঠিত

71e91_ccac497daf_longঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ভাড়ায় চালিত পরিবহন ও ট্যাক্সি সার্ভিসে চলছে অরাজকতা। যাত্রীদের অভিযোগ- একটি প্রভাবশালী চক্রের নিয়ন্ত্রণে নিুমানের ও এসি ছাড়া যানবাহন চালানো হলেও ভাড়া নেয়া হচ্ছে দ্বিগুণ। রাজধানীতে ভালোমানের ট্যাক্সি সার্ভিস চললেও বিমানবন্দরে সেগুলো ঢুকতে পারে না সিন্ডিকেটের কারণে। এমনকি উবার সার্ভিসও মেলে না। ফলে হয়রানির শিকার হচ্ছেন যাত্রীরা।

দুবাই থেকে প্রায় দুই বছর পর দেশে ফিরেছেন প্রবাসী কর্মী আমেনা। গাবতলী যেতে একটি গাড়ির জন্য টার্মিনালে বসে আছেন দুই ঘন্টা। বিমানবন্দরের পরিবহন দালালদের টানাহেঁচড়া আর বাড়তি ভাড়ার কারণে অনেকটাই নিরুপায় তিনি। তার মতো এমন অবস্থা অন্যান্য যাত্রীদেরও।

সারা দুনিয়ায় বিমান বন্দরে যাত্রীসেবার জন্য উন্নত পরিবহন ব্যবস্থা ও ভালোমানের ট্যাক্সি সার্ভিস থাকলেও ঢাকার চিত্র উল্টো। বিদেশ থেকে আসা যাত্রীদের ভোগান্তিতে পড়তে হয় যানবাহনের জন্য। বিশেষ করে প্রবাসী কর্মীরা হয়রানির শিকার হন বেশি। বিমানবন্দর কেন্দ্রীক একটি পরিবহন চক্র যেমন তেমন গাড়ি চালায়, ভাড়া আদায় করে ইচ্ছেমত।

সিভিল এভিয়েশনের অনুমতিতে বিমানবন্দরে যাত্রী পরিবহণ করছে করছে তিনটি কোম্পানী। এর বাইরে বিমানবন্দরে অন্য কোন ট্যাক্সি ও উবারের গাড়ি ঢুকতে পারে না বলে অভিযোগ চালকদের।

বেসরকারি ট্যাক্সি সার্ভিস কোম্পানী তমা গ্র“পের চেয়ারম্যান জানান, সিন্ডিকেট মুক্ত করতে না পারলে বিমান বন্দরের যাত্রী পরিবহণ ব্যবস্থা উন্নত হবে না।

এই অবস্থায় বিমানবন্দরে সব ট্যাক্সি সার্ভিস ও উবার উন্মুক্ত করে দেয়া হলে প্রতিযোগিতা যেমন বাড়বে, তেমনি যাত্রী সেবার মানও বাড়বে বলে মনে করেন তিনি। নিউজ২৪ডটকম।

Aviation News