চট্টগ্রামে ক্ষয়ে যাওয়া রানওয়েতে ঝুঁকি নিয়ে নামছে বোয়িং-৭৭৭

এই লেখাটি 215 বার পঠিত

shah-amanat_sm20161227030626ঢাকা:
চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বর্তমান রানওয়ে ২০০০ সালে নির্মিত। ১৭ বছর আগে নির্মিত বিমান বন্দরটির ২ হাজার ৯৪০ মিটার লম্বা রানওয়ের অ্যাসফল্ট ওভার-লে’র অনেক জায়গাই ক্ষয়ে গেছে। এই ক্ষয়ে যাওয়া রানওয়েতেই ঝুঁকি নিয়ে ওঠানামা করছে বোয়িং-৭৭৭ এয়ারক্রাফট।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ১৭ বছর আগে নির্মিত রানওয়ের অর্থনৈতিক আয়ুষ্কাল শেষ হয়েছে। বোয়িং-৭৭৭ কিংবা আরও ভারী এয়ারক্রাফটের ওঠা-নামা সুবিধা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিমানবন্দরের ১ লাখ ৯৮ হাজার ৩৬০ বর্গ মিটার রানওয়ে ও টেক্সিওয়ের শক্তিশালীকরণ জরুরি। তা না হলে যে কোনো ধরণের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।

শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর চট্টগ্রাম থেকে ১১ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত দেশের অন্যতম বিমানবন্দর। রানওয়ের অ্যাসফল্ট ওভারলে ক্ষয়ে যাওয়ার কারণে এই বিমানবন্দরে যাত্রী থাকলেও বোয়িং-৭৭৭ এয়ারক্রাফট পরিচালনা বৃদ্ধি করা যাচ্ছে না।
এছাড়া বিমানবন্দরটির সাইড স্ট্রিপ গ্রেডিং এবং ড্রেনেজ ব্যবস্থারও উন্নয়ন জরুরি। পাশাপাশি প্রয়োজন এয়ার ফিল্ড লাইটিং সিস্টেম স্থাপন।

এ ব্যাপারে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের ম্যানেজার উইং কমান্ডার রিয়াজুল কবির বাংলানিউজকে বলেন, বিমানবন্দরের রানওয়ের স্বক্ষমতা বৃদ্ধি করা জরুরি। এর পাশাপাশি ট্যাক্সিওয়েও শক্তিশালী করা দরকার। দিনে ৩ থেকে ছয়টি বোয়িং-৭৭৭ ওঠা-নামা করে। কিন্তু রানওয়ের কারণে আমাদের সীমিত আকারে বোয়িং-৭৭৭ পরিচালনা করতে হয়। বর্তমানে বিমান বন্দরটির ২ হাজার ৯৪০ মিটার লম্বা রানওয়ের অ্যাসফল্ট ওভারলের অনেক জায়গা ক্ষয়ে গেছে। এটার সক্ষমতা ‍বৃদ্ধি করা জরুরি।

সব মিলিয়ে রানওয়ে ও ট্যাক্সিওয়ের শক্তিশালীকরণসহ অন্যান্য সুবিধা বৃদ্ধির জন্য ৫৬৮ কোটি ৫৪ লাখ ৯৮ হাজার টাকার প্রয়োজন বলে জানায় মন্ত্রণালয়।

অবশ্য জরুরি ভিত্তিতে রানওয়ে নির্মাণের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে `চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিদ্যমান রানওয়ে ও টেক্সিওয়ের শক্তি বৃদ্ধিকরণ প্রকল্প‘ এর প্রস্তাব করা হয়েছে বলে জানা গেছে মন্ত্রণালয় সূত্রে।

তবে এ বিষয়ে কিছু বলতে রাজি হননি বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন ও পর্যটন উইং) স্বপন কুমার সরকার।

Aviation News