খানজাহান আলী বিমানবন্দরের পরামর্শক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু

এই লেখাটি 658 বার পঠিত

khanjahan-ali-airport20161008145143শুরু হয়েছে বাগেরহাটে খানজাহান আলী বিমানবন্দর নির্মাণ প্রকল্পের পরামর্শক নিয়োগের প্রক্রিয়া। এরই মধ্যে সাতটি প্রতিষ্ঠানের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। তালিকায় থাকা প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে দরপত্র আহ্বান করেছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)।

বেবিচক সূত্রে জানা গেছে, সরকারের অগ্রাধিকার প্রকল্প হিসেবে বিআরটিসি ও বুয়েটের সুপারিশের আলোকে ইওআই থেকে পাওয়া প্রস্তাবগুলো খতিয়ে দেখে মূল্যায়ন কমিটি সাতটি প্রতিষ্ঠানের সংক্ষিপ্ত তালিকা করে। ৪ সেপ্টেম্বর এসব প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে দরপত্র আহ্বান করা হয়। দরপত্র জমা দেয়ার শেষ সময় ২৭ অক্টোবর।

এ বিষয়ে বেবিচকের এক প্রকৌশলী  জানান, খানজাহান আলী বিমানবন্দর নির্মাণ প্রকল্পটি অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছে। বর্তমানে পরামর্শক নিয়োগের কাজ চলছে। পাশাপাশি জমি অধিগ্রহণের কার্যক্রমও চলমান।

তিনি আরো জানান, ১৯৯৬ সালে অনুষ্ঠিত একনেকের সভায় বাগেরহাটের ফয়লায় মংলা-খুলনা মহাসড়কের পাশে হযরত খানজাহান আলী বিমানবন্দর প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়।

পরে এ প্রকল্পের জন্য ৯৪ একর জমি অধিগ্রহণ ও পরবর্তীতে ২০১৫ সালের ৫ মে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় সংশোধিত প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়। সংশোধিত প্রকল্পে জমির পরিমাণ আরো ৫৩৬ একর বাড়ানো হয়। এতে মোট প্রকল্প ব্যয় বেড়ে দাঁড়ায় ৫৪৪ কোটি ৭৫ লাখ টাকায়। ২০১৮ সালের জুনের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হওয়ার কথা।

উল্লেখ্য, বিমানবন্দর নির্মানের জন্য প্রথমে ১৯৬১ সালে খুলনা নগরী থেকে ১৭ কিলোমিটার দূরে ফুলতলার মশিয়ালীতে স্থান নির্ধারণ করা হয়। ১৯৬৮ সালে ওই পরিকল্পনা বাতিল করে নগরীর তেলিগাতিতে নতুন স্থান নির্ধারণ করে জমি অধিগ্রহণ করা হয়। আশির দশকে তৃতীয়বারের মতো স্থান নির্ধারণ করা হয় বাগেরহাটের কাটাখালিতে।

চতুর্থ দফায় ১৯৯৬ সালে রামপাল উপজেলার ফয়লা এলাকায় খানজাহান আলী বিমানবন্দরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। এজন্য খুলনা-মংলা মহাসড়কের পাশে ৯৫ একর জমি অধিগ্রহণ করে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষকে হস্তান্তর করে বাগেরহাট জেলা প্রশাসন। ১৯৯৭ সালের প্রথম দিকে মাটি ভরাটের কাজও শুরু হয়। কিন্তু অর্থের অভাবে পরবর্তীতে আর এগোয়ানি এই প্রকল্পের নির্মাণ কাজ।

Aviation News