‘বঙ্গবন্ধু আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দরটি হবে প্রাচ্য এবং পাশ্চাত্যের মিলনকেন্দ্র’

এই লেখাটি 184 বার পঠিত
বঙ্গবন্ধু আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দর

‘বঙ্গবন্ধু আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দরটি হবে প্রাচ্য এবং পাশ্চাত্যের মিলনকেন্দ্র’

পদ্মা ঘিরে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ। বর্ষায় যে নদীর উন্মত্ততায় দিশেহারা হতে হয় লাখো মানুষকে, সেই পদ্মাকে ঘিরেই এখন নদীপাড়ের মানুষ ভাসছে ঝলমলে এক সমৃদ্ধ ও সচ্ছল জীবনের স্বপ্নে। এই স্বপ্নের কেন্দ্রবিন্দু পদ্মাসেতু।

কেবল পদ্মাসেতুই নয়, পদ্মা নদীর পাশেই বঙ্গবন্ধু আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দর, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত হংকংয়ের আদলে নতুন শহর, অলিম্পিক ভিলেজ, কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, নৌ-বন্দর, অভ্যন্তরীণ কন্টেইনার টার্মিনাল, বিশেষ অর্থনৈতিক জোন, ইকোনমিক করিডোর, আধুনিক রেল, সড়ক ও নৌ যোগাযোগ ব্যবস্থার হাতছানিও মানুষকে এই স্বপ্নের পথে এগিয়ে দিচ্ছে।

পদ্মাসেতুর পাশেই হচ্ছে বঙ্গবন্ধু আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দর। সেখানে এরইমধ্যে ১২ হাজার একর জমি চিহ্নিত করেছে জাপানি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিপ্পন কোই লিমিটেড। বাংলাদেশ সরকারের নতুন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী এ বিষয়ে বলেন, এই বিমানবন্দরটি হবে প্রাচ্য এবং পাশ্চাত্যের মিলনকেন্দ্র। পদ্মাসেতুর ওপারে এবং সেতুর পাশেই নতুন এই বিমানবন্দর গড়ে তোলা হবে।

বঙ্গবন্ধু আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দরের প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, এই বিমানবন্দরে প্রতি মিনিটে একটি করে ফ্লাইট ওঠানামা করতে পারবে। বছরে কমপক্ষে এক কোটি ২০ লাখ যাত্রীর চেক ইন ও চেক আউটের সুযোগ থাকছে। বিমানবন্দর থেকে বের হয়ে ৩০ মিনিটে কোনো যানজট ছাড়াই ঢাকার জিরো পয়েন্টে পৌঁছানোর সুযোগ থাকছে যাত্রীদের। এই বিমানবন্দরে প্রতি চব্বিশ ঘণ্টায় ৪শ’ যাত্রীবাহী ফ্লাইট ও ২শ’ কার্গোবাহী ফ্লাইট অপারেশনের সুযোগ থাকছে। এখান থেকে এক ঘণ্টায় ঢাকার হযরত আন্তর্জাতিক শাহজালাল বিমানবন্দরে পৌঁছানোর জন্য থাকবে বিশেষ মেট্রোরেল।

Aviation News