ত্বকের যত্নে চন্দনের ব্যবহার

এই লেখাটি 32 বার পঠিত
ত্বকের যত্নে

ত্বকের যত্নে চন্দনের ব্যবহার।

রূপচর্চায় আভিজাত্যের ছোঁয়া যুগ যুগ ধরে প্রচলিত। ত্বক সুরক্ষা থেকে যত্নের ছোট বড় মাপকাঠি তাই রূপচর্চার সঙ্গে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িত। ত্বকের সুরক্ষা এক এক ঋতু ভেদে এক এক ধরনের হয়ে থাকে। তবে শীতের রুক্ষতা থেকে এ সময় ত্বকের কিছুটা বাড়তি যত্নের প্রয়োজন পড়ে।
ঋতুভেদে শীতের এ সময়ে রুক্ষতার পরিমাণ বৃদ্ধি পায় তাই ত্বকে প্রয়োজন পড়ে সুরক্ষার আবরণ। শীতের সময় ত্বক অন্যান্য সময়ের তুলনায় তার প্রাণবন্ততা দ্রুত হারায়। তাই হারানো সজিবতা ফিরে পেতে চন্দন হতে পারে রূপচর্চার নতুন সঙ্গি।
মূলত চন্দন গাছের কাঠ শুকিয়ে তা গুঁড়া করে তৈরি করা হয় চন্দন গুঁড়া কিংবা স্যান্ডেলউড পাউডার। এ স্যান্ডেল উড পাউডার কিংবা চন্দন একটি সময় কেবল নতুন কনের বিয়ের প্রসাধনী রূপে ব্যবহার করা হতো। চন্দনে উপস্থিত থাকা গুণাগুণ কেবল ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতেই ব্যবহার করা হয় এমনটাই একটি সময় পর্যন্ত মনে করা হতো। তবে বর্তমানে এই চন্দনের ব্যবহার প্রায়ই লক্ষ্য করা যায়।
যাদের ত্বক বাইরের সূর্য রশ্মি কম সহ্য করতে পারে তাদের ত্বকে খুব সহজে কালচে দাগের উপস্থিতি চোখে পড়ে। এ ধরনের কালো দাগের থেকে মুক্তি পেতে চন্দনের পেস্ট হতে পারে সবচেয়ে সহজ এবং উপযোগী মাধ্যম। এ ছাড়া ত্বকে র‌্যাশ কিংবা ব্রণের উপস্থিতিতে চন্দনের ব্যবহার খুব সহজে তা দূর করতে সহযোগিতা করে। এ ছাড়া ত্বকের ব্লাক হেড দূর করে তাকে দীর্ঘসময় ধরে সজীব রাখতে চন্দনের ব্যবহার হয়ে থাকে।
চন্দনের ব্যবহারের ক্ষেত্রে যাদের ত্বক শুষ্ক তারা চন্দনের সঙ্গে মধু কিংবা দুধ মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। এতে ত্বক যেমন টানটান হয় তেমনি কালচে দাগ দূর করতে সহায়তা করে। যাদের তৈলাক্ত ত্বক তারা চন্দনের সঙ্গে গোলাপজল মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। অনেকেরই এ শীতের সময়ে হাত কিংবা পায়ের চামড়া উঠে থাকে। সে ক্ষেত্রে চন্দনের সঙ্গে টকদই মিশিয়ে তার প্রলেপ লাগিয়ে ২৫ থেকে ৩০ মিনিট রেখে হালকা কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে নিলে ভালো উপকারিতা পাওয়া যায়।
এ ছাড়া চন্দনের তৈরি স্ক্রাব মুখের ত্বকের ক্ষেত্রে বেশ উপকারী। শীতের এ সময়ে ত্বকের লাবণ্যতা খুব দ্রুত হারিয়ে যায়। ত্বকের সুরক্ষায় তাই চন্দন সঙ্গে জলপাই তেল ব্যবহার করা যেতে পারে। যাদের ত্বক কিছুটা সংবেদনশীল তারা চন্দনের গুঁড়ার সঙ্গে গ্লিসারিন মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। এতে করে ত্বক যেমন অল্প সময়ে তার সজীবতা ফিরে পায় তেমনিভাবে বেশ লম্বা সময় ধরে থাকে প্রাণবন্ত আর মসৃণ।

Aviation News