ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুঙ্কার বনাম বেইজিংয়ের হুমকি

এই লেখাটি 57 বার পঠিত
ডোনাল্ড ট্রাম্প

ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুঙ্কার বনাম বেইজিংয়ের হুমকি।

উত্তেজনার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যকার দুদিনের আলোচনা কোনো চুক্তি ছাড়াই গত শুক্রবার শেষ হয়েছে। ফলে বাণিজ্যযুদ্ধ নিয়ে চলমান উত্তেজনা নিরসনের কোনো ইঙ্গিত পেল না বিশ্ব। বরং বাণিজ্যযুদ্ধের উত্তাপের পারদ ফের এক দফা চড়িয়ে আরও চীনা পণ্যে আমদানি শুল্ক বসানোর ঘোষণা দিয়েছে ওয়াশিংটন।

পাল্টা হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রকে দেখে নেওয়ার হুমকি ছুড়েছে বেইজিংও। যদিও আশা একেবারে হারিয়ে যায়নি। কারণ সমাধানে সূত্র খুঁজতে ফের আলোচনার টেবিলে বসতে রাজি দুপক্ষই। পরের দফার বৈঠক সম্ভবত হবে বেইজিংয়ে।

চীনের সঙ্গে নিষ্ফলা বৈঠকের পর এক বিবৃতিতে মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি রবার্ট লিগথিজার বলেন, সমস্ত চীনা পণ্যের ওপরে শুল্ক বাড়ানোর প্রক্রিয়া শুরু করতে আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। এর পরেই চীন জানায়, যুক্তরাষ্ট্র এই পথে হাঁটলে পাল্টা দেওয়ার পথে হাঁটবে তারা। গত সেপ্টেম্বরে ২০,০০০ কোটি ডলারের চীনা পণ্যে ১০ শতাংশ শুল্ক বসিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। ৫ মে ট্রাম্পের হুমকি ছিল, ১০ মে থেকে ওই হার বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করা হবে। সেই অনুযায়ী গত শুক্রবার থেকেই করের হার বেড়েছে অন্তত ২০ হাজার কোটি ডলারের চীনা পণ্যে।

এ দিন মার্কিন প্রেসিডেন্টের দ্বিতীয় হুমকিও কার্যকরের কথা জানিয়েছে ওয়াশিংটন। তারা বলছে, নতুন করে কর চাপবে আরও প্রায় ৩০ হাজার কোটি ডলারের চীনা পণ্যে। সে ক্ষেত্রে মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, জুতাসহ প্রায় সমস্ত চীনা পণ্যই চলে আসবে মার্কিন শুল্কের আওতায়। চীনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে বাণিজ্য ঘাটতি বিপুল।

এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্প প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, এখন বদলা নিতে নতুন করে আর বড়জোর এক হাজার কোটি ডলারের মার্কিন পণ্যে শুল্ক চাপাতে পারে চীন। কিন্তু একই সঙ্গে তাদের আশঙ্কা, সমাধান না বেরোলে মার্কিন বিনিয়োগ ও ব্যবসার রাস্তাতেও বাধার দেওয়াল তুলতে পারে বেইজিং। কঠিন হতে পারে সে দেশে মার্কিন বহুজাতিকগুলোর ব্যবসা করা। আনন্দবাজারের।

Aviation News