কাঙ্ক্ষিত মানে পৌঁছানো হবে বাংলাদেশ বিমানের সেবা

এই লেখাটি 228 বার পঠিত
বাংলাদেশ বিমানে

কাঙ্ক্ষিত মানে পৌঁছানো হবে বাংলাদেশ বিমানের সেবা।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মহিবুল হক বলেছেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সেবা সহসা কাঙ্ক্ষিত মানে পৌঁছানো হবে। কয়েক বছর বন্ধ থাকার পর আজ থেকে পুনরায় দিল্লি ফ্লাইট চালু হলো। অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে এতদিন বিমানে কোনো রুট বাড়েনি, বরং কমেছিল।’

সোমবার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে ঢাকা-দিল্লি-ঢাকা ফ্লাইটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব বলেন।

সচিব বলেন, ‘খুব অল্প সময়ে আমরা পুনরায় দিল্লি রুট চালু করেছি। নিকট ভবিষ্যত গুয়াংজু এবং মদিনা রুট চালু হবে। এরপর পর্যায়ক্রমে ম্যানচেস্টার, কলোম্বো, মালে ইত্যাদি রুটে ডানা মেলবে বিমান।’

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী, বিমান পরিচালনা পর্ষদ চেয়ারম্যান এয়ার মার্শাল (অবঃ) ইনামুল বারী, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় ডেপুটি হাইকমিশনার বিশ্বদীপ দে, বেবিচক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল এম নাইম হাসান, বিমানের ভারপ্রাপ্ত এমডি ক্যাপ্টেন ফারহাত হাসান জামিল প্রমুখ।

সোমবার বেলা ৩টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ঢাকা থেকে ১৫২ জন যাত্রী নিয়ে উদ্বোধনী ফ্লাইটটি ছেড়ে যায়। দিল্লিতে ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে স্থানীয় সময় বিকাল ৫টা ২০ মিনিটে পৌঁছায়। আবার দিল্লীর স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে ফ্লাইটটি ছেড়ে ঢাকায় অবতরণ করবে রাত ৯টা ২০ মিনিটে।

ঢাকা-দিল্লি-ঢাকা রুটে রিটার্ন টিকিট ১ মাস মেয়াদে ইকনোমি ক্লাসের ক্ষেত্রে ট্যাক্স ব্যতীত সর্বনিম্ন ৩০০ ইউএস ডলার এবং ১ বছর মেয়াদি টিকিটের ক্ষেত্রে ট্যাক্স ব্যতীত সর্বনিম্ন ৩২০ ইউএস ডলার ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে।

দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ফ্লাইটটির উদ্বোধন উপলক্ষে বিমান ব্যবস্থাপনা এই রুটের টিকিটের ওপর ১৫ শতাংশ উদ্বোধনী ছাড় ঘোষণা করছে। আগামী ৩০ মে ২০১৯ এর মধ্যে যারা টিকিট ক্রয় করবেন তারা এই ছাড়ের সুযোগ গ্রহণ করতে পারবেন।

ঢাকা-দিল্লি সরাসরি ফ্লাইটের শুভ উদ্বোধন করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘কয়েক বছর বন্ধ থাকার পর পুনরায় দিল্লির পথে ফ্লাইট শুরু হওয়ায় আমি আনন্দিত। ভারত আমাদের বন্ধু প্রতিবেশী। দু’দেশের রাজধানীর মধ্যে সরাসরি বিমান যোগাযোগ স্থাপন হওয়ার ফলে ব্যবসায়িক, দাফতরিক, পর্যটন, শিক্ষা, চিকিৎসা ইত্যাদি নানা কারণে দু’দেশের মধ্যে ভ্রমণ ও যাতায়াত এখন আরও সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় হবে।

Aviation News